এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হলো, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সময়কাল সর্বোচ্চ ১০ বছর বা দুই মেয়াদে সীমাবদ্ধ করা।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) ফেডারেল প্রশাসনিক রাজধানীতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে শত শত সরকারি কর্মকর্তা ও মন্ত্রীদের উদ্দেশে দেয়া এক ভাষণে আনোয়ার ইব্রাহিম এই সংস্কারের ঘোষণা দেন।
আরও পড়ুন:বেগম জিয়ার মৃত্যুতে মালয়েশিয়ার প্রভাবশালী যুব সংগঠনের শোক
প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘নেতাদের উচিত তাদের নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যেই প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন করা এবং দীর্ঘ সময় ক্ষমতা আঁকড়ে না থাকা। প্রত্যেকেরই একটি সীমাবদ্ধতা আছে। সরকারের মুখ্য সচিব যেমন দশকের পর দশক থাকতে পারেন না তেমনি এই নিয়ম প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।’
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এখন থেকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ হবে অনধিক ১০ বছর বা পূর্ণ দুটি মেয়াদ।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আনোয়ার ইব্রাহিমের এই পদক্ষেপ মূলত কয়েকটি কারণে নেয়া হয়েছে; ২০২২ সালের সাধারণ নির্বাচনের ইশতেহারে পাকাতান হারাপান জোট প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ সীমাবদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
তাছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ দীর্ঘ ২২ বছর এবং পরবর্তীতে আরও ২২ মাস ক্ষমতায় ছিলেন যা মালয়েশিয়ার ইতিহাসে দীর্ঘতম। ক্ষমতার এই অতি-কেন্দ্রীভূতকরণের ফলে সৃষ্ট ‘ক্ষতি’ কাটিয়ে উঠতেই এই সংস্কারের দাবি দীর্ঘদিনের।
সম্প্রতি শহুরে এবং চীনা ভোটারদের মধ্যে বর্তমান প্রশাসনের প্রতি সমর্থন কমেছে। অন্যদিকে বিরোধী দল পেরিকাতান নাসিওনাল তাদের নেতৃত্বে পরিবর্তন এনে নতুন শক্তিতে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বর্তমানে মালয়েশিয়ার সংবিধান অনুযায়ী, যতক্ষণ পর্যন্ত একজন প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন পান ততক্ষণ তিনি ক্ষমতায় থাকতে পারেন। এই নতুন সংস্কার কার্যকর করতে হলে সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারায় সংশোধনী আনতে হবে।
আরও পড়ুন:মালয়েশিয়ায় অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় বাংলাদেশি গবেষকের অনন্য সাফল্য
প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম তার ভাষণে সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের দুর্নীতিমুক্ত থেকে দ্রুত সংস্কার কাজ এগিয়ে নেয়ারও আহ্বান জানান।
]]>

১ সপ্তাহে আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·