সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা জানিয়েছে, বৈঠকে সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ সরকারের পতন পরবর্তী সৃষ্ট ‘আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাস ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ’ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এছাড়া উভয় পক্ষ ১৯৭৪ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি পুনরুদ্ধারের বিষয়ে আলোচনা করেছে, যে চুক্তির মাধ্যমে সিরিয়া ও ইসরাইলের মধ্যে একটি বাফার জোন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।
তবে বৈঠকের আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে সিরিয়া বা ইসরাইল কেউই আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আরও পড়ুন: গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব গ্রহণে ইসরাইলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির আহ্বান
একজন মার্কিন কর্মকর্তা এপিকে জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘সমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য’-এর দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেও ওয়াশিংটন সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য চাপ দিচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে সিরিয়ার অভ্যন্তরে স্থিতিশীলতা ও ইসরাইলসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘ইসরাইল এবং তার প্রতিবেশীদের মধ্যে স্থায়ী স্থিতিশীলতা এবং শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য যেকোনো প্রচেষ্টাকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। আমরা সেটা অর্জনে সহায়তা করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করতে চাই।’
]]>