ধোঁয়াশা দূর হয় মিডলঅর্ডারে ভর করে। তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমন কেবল ৫৭ রানের জুটিই গড়েননি, নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ওপর দিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছেন। ইমন ১৪ বলে ২৮ রানের ঝড় তুলে বিদায় নেওয়ার পর বাকি কাজটা সেরেছেন হৃদয় ও শামিম হোসেন। হৃদয় তো ২৭ বলে ৩ ছয় ও ২ চারে ৫১ রান করে ম্যাচসেরাই হয়েছেন।
শামিম ১৩ বলে করেন ৩১ রান। মোকাবিলা করা তৃতীয় বলেই তিনি এমন এক শট খেলেন, যা চক্ষু ছানাবড়া করার জন্য যথেষ্ট। নাথান স্মিথের শর্ট লেন্থের ডেলিভারি সোজা মাথার ওপর দিয়ে যাচ্ছিল। নো-লুক শটে উইকেটকিপারের মাথার ওপর দিয়ে শামিম বল পাঠিয়ে দেন সীমানার বাইরে। আম্পায়ার দুই হাত উঁচিয়ে দেখান—ছয়।
আরও পড়ুন: একাধিক রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ২ ওভার হাতে রেখেই হেসেখেলে পায় ৬ উইকেটের জয়। অথচ টাইগাররা পাওয়ার প্লেতে তুলেছিল মোটে ৪৪ রান। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন হৃদয়। তিনি বলেন, খেলাটাই এমন যে সবাই সব দিন ভালো খেলবে না। টপঅর্ডার ব্যর্থ হলে মিডলঅর্ডারের ওপর দায়িত্ব বাড়ে।
হৃদয় বলেন, ‘এটা খেলার অংশ। একদিন পাওয়ার প্লে ভালো হবে, একদিন মিডলওভারে খারাপ হবে। এমনই। যেদিন পাওয়ার প্লে ভালো হবে না, সেদিন মিডঅর্ডারে দায়িত্ব বেড়ে যায়। আবার যেদিন পাওয়ার প্লে ভালো হয়, সেদিনও থাকে। এটা যেহেতু টিম গেম, নিয়মিত সবাই ভালো করে না, এটাই স্বাভাবিক। তারপরও আমরা ভালোভাবে শেষ করেছি। আলহামদুল্লিাহ।’

১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·