শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে বিচার দাবি করেছেন স্বজনরা।
দৌলতখান উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে নায়েব বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত লিটন নায়েব বাড়ির বাসিন্দা মো. হারুনের ছেলে। নিহত লিটনের স্ত্রী ও দুই ছেলে সন্তান রয়েছে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, চরখলিফা ইউনিয়নে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাজমিস্ত্রী মো. লিটন গত ১১ মার্চ (বুধবার) রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরেননি। সন্ধান না পেয়ে পরদিন স্বজনরা দৌলতখান থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
আরও পড়ুন: ইফতারের পর নিখোঁজ, রাতে বাঁশঝাড়ে মিললো শিশুর মরদেহ
শুক্রবার সকালে প্রতিবেশি ইয়াসমিনের নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংক থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকে। বাড়ির লোকজন গিয়ে সেখানে লিটনের মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
এদিকে মরদেহ উদ্ধারের সময় ঘরের মালিক ইয়াছমিন বাড়িতে ছিলেন না। তার স্বামী মোছলেহ উদ্দিন ওমান প্রবাসী।
আরও পড়ুন: ১৭ দিনেও খোঁজ মেলেনি গাজীপুরে নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র আহাদের
মরদেহ উদ্ধারের পর দৌলতখান থানার উপপরিদর্শক মো. জাফর জানায়, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। অনেকে এটিকে রহস্যজনক ঘটনা বলে মনে করছেন।

৪ সপ্তাহ আগে
৬








Bengali (BD) ·
English (US) ·