পে-স্কেল: এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন বাড়বে কি না, যা জানা গেল

১ দিন আগে
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম পে-স্কেল বা নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। আগামী জুলাই থেকেই মূল বেতনের বড় একটি অংশ বৃদ্ধির আভাস পাওয়া গেছে। তবে এই বেতন বৃদ্ধির ডামাডোলে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ভাগ্য খুলবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রবল কৌতূহল। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকুরের পাশাপাশি এবার বিশেষ সুবিধা পেতে যাচ্ছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও।

অর্থ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নবম পে-স্কেল কার্যকর হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতনও আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাবে। যদিও সরকার তাদের বেতনের একটি অংশ অনুদান হিসেবে দেয়, তবে নতুন কাঠামোতে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নবম পে-স্কেলের সুবিধা থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বঞ্চিত হবেন না। বিষয়টি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। যেহেতু তারা সরকারি বেতন কাঠামোর সঙ্গেই যুক্ত, তাই নতুন স্কেলের সুযোগ-সুবিধা তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।’


সূত্র জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত পে-কমিশন মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধির সুপারিশ করেছিল। তবে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বৃদ্ধির পথে হাঁটছে।
 

আরও পড়ুন: কত ধাপে বাস্তবায়ন হতে পারে নবম পে-স্কেল?


সবকিছু ঠিক থাকলে তিন ধাপে এই পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হতে পারে। পরিকল্পানুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই অর্থাৎ আগামী জুলাই মাস থেকে প্রথম ধাপে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে এই বৃদ্ধি কমিশনের মূল সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং সরকারের নির্ধারিত চূড়ান্ত স্কেলের ওপর ভিত্তি করে করা হবে।


অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পে-কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। শিগগিরই প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। তিনি বলেন, ‘পুরো বিষয়টি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে সরকারি ও এমপিওভুক্ত–উভয় পক্ষই একটি সম্মানজনক বেতন বৃদ্ধি পায়।’


উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকরা নতুন পে-স্কেলের জন্য দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন