ইরান-কানাডা কূটনৈতিক টানাপোড়েন বহুদিনের। ২০১২ সালে তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে ইরানকে ‘বিশ্ব শান্তির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি’ হিসেবে ঘোষণা করে অটোয়া। এরপর গত বছরের জুনে আইআরজিসিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে দেশটি।
এর ফলে ইরানের এই এলিট বাহিনীর সদস্যদের কানাডায় প্রবেশ এবং এর সদস্য বা সংগঠনটির সঙ্গে কানাডীয় নাগরিকদের লেনদেন নিষিদ্ধ হয়ে যায়। এছাড়া সংগঠনটির বা এর সদস্যদের কানাডায় থাকা সব সম্পত্তিও জব্দ করা হয়। কানাডার অভিযোগ, ইরানের ভেতরে ও বাইরে মানবাধিকার উপেক্ষা এবং আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা অস্থিতিশীল করার প্রবণতা রয়েছে আইআরজিসির।
আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক শেষে ইরানে হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
প্রায় দেড় বছর পর তার জবাব দিলো ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতির বাইরে গিয়ে আইআরজিসিকে হিসেবে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তার প্রতিশোধে কানাডার নৌবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতার মূলনীতির ভিত্তিতে রয়্যাল ক্যানাডিয়ান নেভিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে শনাক্ত এবং ঘোষণা করা হলো। তবে কানাডার এই নৌবাহিনীকে ইরানের সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণার ফলে কি ধরনের প্রভাব অথবা পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে হবে, সেই বিষয়ে বিবৃতিতে স্পষ্ট করে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·