রোববার (৩ মে) দুপুরে উপজেলা সদরের জিয়া স্কোয়ার ও মোল্লাপাড়া ব্রিজ এলাকায় দুই দফায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে পানছড়ি বাজারের জিয়া স্কোয়ার এলাকায় জামায়াতের উপজেলা আমির জাকির হোসেনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, উপজেলা বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক আল-আমিনের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জন যুবক অতর্কিতভাবে এই হামলা চালায়। এতে জাকির হোসেন মাথায় গুরুতর আঘাত পান। এর কিছু সময় পর মোল্লাপাড়া ব্রিজ এলাকায় জামায়াতের উল্টাছড়ি ইউনিটের সভাপতি সৈয়দ মজনুর ওপর দ্বিতীয় দফায় হামলা চালানো হয়।
অন্যদিকে বিএনপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, মোটরসাইকেল ওভারটেকিংকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। সেই তুচ্ছ ঘটনা থেকেই অনাকাঙ্ক্ষিত এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
আরও পড়ুন: পাবনায় ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ
বিএনপির দাবি অনুযায়ী, হামলায় জামায়াতের দুইজন ছাড়াও ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান ও আরও এক বিএনপি কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে উপজেলা জামায়াতের আমির জাকির হোসেনকে পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সৈয়দ মজনুকে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

২ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·