সোমবারের (১৩ এপ্রিল) ম্যাচে সূর্যবংশীর এই প্রথম বলেই শূন্য রানে আউট হওয়া (গোল্ডেন ডাক) সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে, কারণ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ সাধারণত শক্তিশালী বোলিংয়ের জন্য পরিচিত নয়। এই ঘটনার পর ইরফান পাঠান তার আগের একটি ‘তত্ত্ব’র পক্ষে কথা বলেন।
১০ এপ্রিল ইরফান এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছিলেন, এই কিশোর ক্রিকেটার কি ইচ্ছাকৃতভাবে বড় বোলারদের টার্গেট করে? কারণ তিনি বুমরাহদের মতো বিশ্বসেরা বোলারদের সহজেই বাউন্ডারিতে পাঠালেও, তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত হিঙ্গের বিরুদ্ধে তা করতে পারেননি।
সোমবার তিনি আবার পোস্ট করে লেখেন, ‘তাহলে বৈভব সূর্যবংশীর ব্যাপারে আমার থিওরি ভুল নয়।’
আরও পড়ুন: আচরণবিধি ভাঙায় শাস্তি পেলেন টিম ডেভিড
তবে অনেকেই তার এই মতের বিরোধিতা করেছেন। অনেক ভক্তের মতে, বৈভব যে কোনো বোলারের বিপক্ষেই দ্রুত রান করার চেষ্টা করে, সেটা বড় নাম হোক বা ছোট।
বরাবরের মতো হায়দরাবাদের বিপক্ষে রাজস্থানের ইনিংস শুরু করেছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল ও সুর্যবংশী। সবার নজর ছিল বৈভবের ওপর, যিনি এর আগে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে জশ হ্যাজেলউড, ভূবনেশ্বর কুমার, ক্রুনাল পান্ডিয়াদের মতো বোলারদের বিপক্ষে মাত্র ২৬ বলে ৭৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছিলেন।
অরেঞ্জ ক্যাপ হারানোর পরও তিনি আরেকটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলতে প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু মাত্র ৩০ লাখ টাকায় দলে নেওয়া, তুলনামূলকভাবে অচেনা প্রফুল হিঙ্গে সবার নজর কেড়ে নেন।
তার দ্বিতীয় বলেই (বৈভবের খেলা প্রথম বল), বৈভব বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন এবং গোল্ডেন ডাক হয়ে ফিরে যান। ক্রিকেট যে কত অনিশ্চয়তার, এই ঘটনাই তার প্রমাণ।
আরও পড়ুন: হায়দরাবাদের দুই পেসার সাকিব-প্রফুলের বোলিং তোপে আসরের প্রথম হার রাজস্থানের
এরপর একই ওভারে ধ্রুব জুরেল শূন্য রানে বোল্ড হয়ে যান। এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার হার্ড-হিটার লুহান দ্রে প্রেটোরিয়াসও দ্বিতীয় বলেই আউট হন। ফলে প্রথম ওভারেই রাজস্থান রয়্যালসের স্কোর দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ১ রান।
এইভাবে, প্রফুল হিঙ্গে তার অভিষেক ম্যাচেই দারুণ ছাপ ফেলেন এবং বৈভব সূর্যবংশীর মতো উঠতি তারকাকে থামিয়ে এখন আলোচনায়।

১ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·