আল জাজিরার প্রতিবেদন মতে, আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বান্নু জেলায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেনাবাহিনীর দাবি, অভিযানের সময় অন্তত পাঁচজন সশস্ত্র যোদ্ধাও নিহত হয়েছে, যাদের একজনকে তারা ‘আত্মঘাতী হামলাকারী’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনীর অগ্রবর্তী দল হামলাকারীকে থামিয়ে দেয়। ফলে সে বেসামরিক মানুষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি এবং একটি ‘বড় ধরনের বিপর্যয়’ এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
বিবৃতিতে হামলাকারীদের ‘খাওয়ারিজ’ বলে উল্লেখ করা হয়। পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিষিদ্ধ গোষ্ঠীগুলোর ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করে, যার মধ্যে পাকিস্তান তালেবান বা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) রয়েছে।
আরও পড়ুন: চীনের ‘জবরদস্তি’র বিরুদ্ধে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি
ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, কাবুলের তালেবান প্রশাসন টিটিপিকে আশ্রয় দিচ্ছে। যদিও কাবুল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আফগান তালেবান ও টিটিপি আলাদা সংগঠন হলেও তাদের মধ্যে আদর্শগত ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
গত বছরের অক্টোবরে দুই দেশের মধ্যে সীমান্তে সংক্ষিপ্ত সংঘর্ষও হয়েছিল। পাকিস্তান সেনাবাহিনী বলেছে, এই ‘জঘন্য ও কাপুরুষোচিত’ হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সংযম দেখানো হবে না এবং যেখানে থাকুক না কেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমাদের সাহসী সেনাদের এমন আত্মত্যাগ জাতিকে রক্ষায় আমাদের অটল অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করে।’
]]>

২ সপ্তাহ আগে
৪







Bengali (BD) ·
English (US) ·