ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই নির্বাচন ‘চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে’।
সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ মোদি লিখেছেন, ‘জনশক্তির জয় হয়েছে এবং বিজেপির সুশাসনের রাজনীতি জয়ী হয়েছে। আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক ব্যক্তিকে প্রণাম জানাই। জনগণ বিজেপিকে এক অভূতপূর্ব রায় দিয়েছেন এবং আমি তাদের আশ্বাস দিচ্ছি যে, আমাদের দল পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সম্ভাব্য সবকিছু করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি সরকার দেব যা সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সুযোগ ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে।’
আরও পড়ুন: ‘মমতার খেলা শেষ’–ঘোষণা বিরোধীদের, বিজেপি জিতলে কে হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী
এক্স-এ দেয়া আরেক পোস্টে মোদি লেখেন, ‘প্রজন্ম ধরে অগণিত কার্যকর্তার প্রচেষ্টা ও সংগ্রাম ছাড়া পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির এই রেকর্ড জয় সম্ভব হতো না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি তাদের (কর্মী-সমর্থক) সবাইকে অভিবাদন জানাই। বছরের পর বছর ধরে তারা মাঠে কঠোর পরিশ্রম করেছেন, সব ধরনের প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠেছেন এবং আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়ে কথা বলেছেন। তারাই আমাদের দলের শক্তি।’
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রথমবারের মতো জয়ের পথে আছে বলে জানাচ্ছে স্থানীয় গণমাধ্যম। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গণনা করা ভোটের প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপি এগিয়ে আছে ২০৪ আসনে, আর ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস ৮৩ আসনে এগিয়ে।
২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য কোনো দলের প্রয়োজন ১৪৮ আসনে জয়।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ রাজ্য বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা এরইমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘খেলা শেষ’।
আরও পড়ুন: তামিলনাড়ুতে বিজয় ঝড়, ফলাফল দেখে থালাপতির ‘কাছের লোক’ হওয়ার চেষ্টায় কংগ্রেস!
তাদের দাবি, রাজ্যটিতে বিজেপিই সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। রাজ্য বিজেপির নেতা-কর্মীরা বিজয় উদ্যাপনও শুরু করেছেন। এছাড়া, জয়ের পথে থাকা বিজেপি সরকার গঠন করলে কে হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী, সে আলোচনাও শুরু হয়ে গেছে।
এই নির্বাচনের আগে বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার জোর দিয়ে বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন বাঙালিই হবেন।
বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী কে হতে পারেন, এ প্রশ্নের উত্তরে সম্ভাব্য কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। তারা হলেন: বর্তমান বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, রাজ্য বিজেপির সাবেক সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার, সাবেক সাংবাদিক ও রাজ্যসভার সাবেক সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত প্রমুখ।
]]>

১ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·