শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে শুরু হয় ঝড়ো হাওয়া। মুহূর্তেই বজ্রসহ ভারী বৃষ্টি এবং সেই সাথে বড় বড় শিলা পড়তে শুরু করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঝড়ের তীব্রতা ও শিলার আঘাতে অনেক জায়গায় টিনের চাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাত ১২টার পর ঝড়ের বেগ আরও বৃদ্ধি পায় এবং মেঘের প্রচণ্ড গর্জনে জনমনে ভীতির সৃষ্টি হয়।
চৈত্র মাসের এই সময়ে মাঠে থাকা বিভিন্ন রবি শস্য ও লিচু-আমের মুকুলের জন্য এই শিলাবৃষ্টি মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের ছবি ও ভিডিও আপলোড করে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে ভুট্টা, গম এবং শাকসবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক আভাস পাওয়া গেছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, মৌসুমি বায়ু হঠাৎ সক্রিয় হয়ে ওঠায় এই বৃষ্টিপাত ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। ঝড়ের সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার।
আরও পড়ুন: যেসব অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে শিলাবৃষ্টির শঙ্কা
তবে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, এই ঝড়ের পেছনে কোনো নিম্নচাপের প্রভাব নেই। এটি মূলত মৌসুমি বায়ুর স্বাভাবিক পরিবর্তনের অংশ।
আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, আগামী ১ এপ্রিল জেলাজুড়ে বিচ্ছিন্নভাবে আরও প্রবল বেগে ঝড়ো হাওয়া, বজ্রসহ বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টির উচ্চ আশঙ্কা রয়েছে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

২ সপ্তাহ আগে
৩







Bengali (BD) ·
English (US) ·