বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কর্মসূচী পালন করে তারা।
বিক্ষোভকারীরা আন্দোলনে অভিযোগ করেন, পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের শাপলা কলির প্রার্থী সারজিস আলমের প্রতিদ্বন্দী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ব্যানার ও ফেস্টুন টানালেও, সেগুলো অপসারণে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বরং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর শাপলা কলি প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে দাবি তাদের।
একই সাথে অভিযোগের ভিত্তিতে আন্দোলনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় রাত ১০টায় আন্দোলনের মাঝে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামানের পদত্যাগ সহ ৫ দফা দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে সাময়িক আন্দোলন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী স্থগিত করে বক্তারা।
আরও পড়ুন: পঞ্চগড়ে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ, মামলা তুলে নিতে হুমকি
অনতিলম্বে দাবি মানা না হলে আবারো কঠোর কর্মসূচীর ডাক দেয় বক্তারা।
এর আগে বিকেলে পঞ্চগড় জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরে প্রধান সড়ক প্রদক্ষীণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় কথা হয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পঞ্চগড়ের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বীর সাথে। তিনি সময় সংবাদকে বলেন, আমরা আমাদের যুক্তিসম্মত দাবি নিয়ে এসেছিলাম। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধ ব্যানার ও ফেস্টুনের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। একই সাথে বার বার আমরা সময় বেঁধে দিলেও তারা তেমন কোনো সাড়া পাই নি। আমরা রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করেছি। এদিকে তেঁতুলিয়ায় উঠান বৈঠক করতে নাকি অনুমতি লাগবে- এ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে আদো কি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে? এ অবস্থায় আমরা মনে করছি- এই ডিসি এখানে থাকার মত অবস্থায় নেই। তাই আমরা আমাদের দাবির পাশাপাশি এক দফা দাবি জানিয়েছি ডিসির পদত্যাগ করতে হবে।
আরও পড়ুন: পঞ্চগড়ে সেটেলমেন্ট অফিসে দুদকের অভিযানে ৪ দালাল আটক
এদিকে আন্দোলনের সমাপ্তি ঘোষণাকালে পঞ্চগড়-১ আসনের শাপলা কলির প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট ও পঞ্চগড় শহর জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারী নাসির উদ্দীন সরকার ৫ দফা দাবি উপস্থাপন করে সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা আমাদের দাবি নির্বাচন কমিশনের কাছে উপস্থাপন করেছি। তারা আমাদের কাছে ১২ ঘণ্টা সময় চেয়েছে। তাদের অনুরোধে আমরা আমাদের কর্মসূচি আগামীকাল সকাল ১০টা পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করছি।
এ বিষয়ে পঞ্চগড়ের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান সময় সংবাদকে বলেন, নির্বাচন কমিশনে আমরা সব ছবি পাঠিয়েছি। এটা আমি তাদেরকে জানিয়ে দিয়েছি। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন যা করবে- সে অনুযায়ী কাজ করবো। এদিকে কমিশন তাদের নির্বাচন কমিশনে আবেদন করতে বলেছেন বলে আমাকে জানিয়েছে। আর এই বিষয়টা তো আমার না, বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে পাঠাইছি। ওটা সেখান থেকে সিদ্ধান্ত আসবে বলেও জানান তিনি।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৪







Bengali (BD) ·
English (US) ·