নিষিদ্ধ হলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ দলের ভাবনায় থাকা জোনস

২ সপ্তাহ আগে
দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার অ্যারন জোনস। আইসিসি ও ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লিউআই) তার বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি ধারায় অভিযোগ এনেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আইসিসি।

জোনস যুক্তরাষ্ট্রকে ৯টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ছিলেন গত বিশ্বকাপের দলে। সেবার মোনাঙ্ক প্যাটেলের ডেপুটি হিসেবে খেলেছেন। এবারের ভারত ও শ্রীলঙ্কা বিশ্বকাপের জন্যও দলের ভাবনায় আছেন। দল ঘোষণা না করলেও যুক্তরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায় ১৮ সদস্যের ক্যাম্প দলে তাকে রেখেছে। সেখান থেকে ১৫ জনের দল ঘোষণা করা হবে। তার আগে জোনসের ওপর নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ধাক্কাস্বরূপ। অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য জোনস সময় পাচ্ছেন ১৪ দিন।


জোনসের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর বেশির ভাগই ২০২৩–২৪ মৌসুমে বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত বিম১০ টুর্নামেন্টকে ঘিরে। এই টুর্নামেন্টটি সিডব্লিউআইয়ের দুর্নীতিবিরোধী আইনের আওতাভুক্ত। সিডব্লিউআইয়ের কোড অনুযায়ী, জোনসের বিরুদ্ধে ম্যাচের কোনো অংশে কারসাজির চেষ্টা, দুর্নীতিমূলক প্রস্তাবের কথা যথাযথভাবে জানাতে ব্যর্থ হওয়া এবং তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ আনা হয়েছে।


আরও পড়ুন: ফিক্সিং কাণ্ডে শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশি-বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিকের কারাদণ্ড


এ ছাড়া আন্তর্জাতিক ম্যাচসংক্রান্ত দুটি অভিযোগ আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী আইনের আওতায় আনা হয়েছে। আইসিসির অভিযোগে বলা হয়েছে, দুর্নীতিমূলক প্রস্তাব বা যোগাযোগের পূর্ণাঙ্গ তথ্য অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটকে (এসিইউ) না জানানো এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার মতো আচরণ করেছেন জোন্স। তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য গোপন বা বিকৃত করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।


জোনস জাতীয় দলের হয়ে ৫২টি ওয়ানডে ও ৪৮টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটেও নিয়মিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ ক্রিকেটে খেলেছেন সিয়াটল অর্কাসের হয়ে, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ছিলেন সেন্ট লুসিয়া কিংস দলে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন