‘নির্বাচনে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র’, ‘কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতিই চ্যালেঞ্জ’

৪ সপ্তাহ আগে
প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।

দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো।


নির্বাচনে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র - দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত খবর এটি। 


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র পাঁচদিন। সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংঘাত-সহিংসতার আশঙ্কা। এর নেপথ্যে অবৈধ অস্ত্র। বিভিন্ন সূত্রের খবর, সীমান্তের বেশ কয়েকটি পয়েন্ট দিয়ে দেদার অস্ত্র আসছে। এছাড়া আওয়ামী লীগ আমলের তিন মেয়াদে রাজনৈতিক বিবেচনায় লাইসেন্স দেওয়া ১০ হাজারের বেশি অস্ত্র এরই মধ্যে অবৈধ হয়ে গেছে।

 

 

 

এসব অস্ত্রের পাশাপাশি পুলিশের লুণ্ঠিত যেসব আগ্নেয়াস্ত্র (১৩৩১) উদ্ধার হয়নি, সেগুলোও বাড়িয়েছে ঝুঁকির মাত্রা। শুধু তা-ই নয়, অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের পাশাপাশি দুটি কারাগার থেকে লুট হওয়া ২৭টি অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা যায়নি। আর পুলিশের লুণ্ঠিত আড়াই লাখের বেশি গোলাবারুদ রয়ে গেছে দুষ্কৃতকারীদের হাতে। সব মিলিয়ে নির্বাচন ঘিরে অস্ত্রের ঝনঝনানির আশঙ্কা করা হচ্ছে।


নির্বাচনী প্রচারে বড় পরিবর্তন - দৈনিক সমকালে প্রকাশিত সংবাদ এটি।


প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে,  নির্বাচন মানেই পোস্টারের ছড়াছড়ি। দেয়ালে দেয়ালে, দড়িতে দড়িতে ঝুলন্ত পোস্টার। ভোটের মাঠের সেই চেনা ছবির খোলনলচে এবার বদলে গেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টারের ব্যবহার একেবারেই নিষিদ্ধ।

 

 

 

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিষেধাজ্ঞা ভেঙে ফাঁকফোকরে কিছু এলাকায় পোস্টারের অস্তিত্ব থাকলেও তা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে নেই। এবার ডিজিটাল প্রচারণায় ঝোঁক বেশি। এতে শীর্ষে রয়েছে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক। নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার কর্তাব্যক্তিরা বলছেন, এবার নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ছাড়াও বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে নির্বাচনে ডিজিটাল প্রচারণা বেশ লক্ষণীয়। একসময় দেদার ব্যবহার হতো রঙিন পোস্টার। বেশ কবছর আগেই তা বন্ধ করেছে ইসি। এবার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে রঙিন-সাদাকালো সব ধরনের পোস্টারের প্রচারণা।


কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতিই চ্যালেঞ্জ - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার সংবাদ এটি। 


প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দরজায় কড়া নাড়ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। শেষ সময়ে মরিয়া হয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রার্থীরা। নিজেদের পক্ষে সমর্থন বাড়াতে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতিও। পাড়া-মহল্লায় সর্বত্র শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ব্যানার।

 

 


 

ক্রমেই ভোটের সমীকরণে জয়-পরাজয় হিসাব মেলাতে আলোচনায় সরগরম কেন্দ্র থেকে প্রান্ত। প্রার্থী থেকে ভোটার-সবারই ভোটের হিসাব নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ; কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে কেন্দ্রে কাঙ্ক্ষিত ভোটার উপস্থিতিই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। নেতা-নেতৃত্বহীন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত অগোছালো আওয়ামী লীগের ভোটারদের কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ভোটকেন্দ্রে যাওয়া নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে। আর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ইত্যাদিও ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে ফ্যাক্টর হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

 

পোস্টাল ব্যালটের গোপনীয়তা নিয়ে সংশয় - দৈনিক মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর এটি। 


প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, পোস্টাল ব্যালটে এবারই প্রথমবার প্রবাসী ও দেশের অভ্যন্তরে থাকা সরকারি কর্মকর্তা এবং কারাবন্দিদের ভোটগ্রহণ চলছে। তবে এই ব্যবস্থা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন শঙ্কা। ১৫ বছরে ভোট ব্যবস্থা নিয়ে যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে তা থেকে বের হতে পারছে না মানুষ। তাই পোস্টাল ব্যালটে ভোটের গোপনীয়তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।

 

 


প্রবাসী এবং দেশের অভ্যন্তরে থাকা একাধিক ভোটার তাদের শঙ্কার কথা জানিয়েছেন মানবজমিনের সঙ্গে আলাপে। তারা বলছেন, পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেয়ার সময় ঘোষণাপত্রে সাইন স্বাক্ষর দিতে হয়। সেখানে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দেয়া থাকে। ফলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা যখন ব্যালট খুলবেন তখন একজন ভোটার কোথায় কোন প্রতীকে ভোট দিলেন সেটা দেখে ফেলতে পারেন। এতে করে ওই ভোটারের গোপনীয়তা নষ্ট হওয়ার শঙ্কা থেকেই গেল। যদিও বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট করেছেন পোস্টাল ব্যালটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইসি কর্মকর্তারা।

 

সংকট কাটছে না বন্দরের- দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রধান খবর এটি। 


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি সংস্থা ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দীর্ঘমেয়াদি ইজারা দেওয়ার সরকারি উদ্যোগকে কেন্দ্র করে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর কয়েক সপ্তাহ ধরে গভীর সংকটে পড়েছে। আইনি জটিলতা, শ্রমিক আন্দোলন এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপের ক্ষোভে বন্দরের কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ায় ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

 

 


শ্রমিকদের লাগাতার কর্মবিরতি ও জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে শীর্ষ ১০টি বাণিজ্য সংগঠনের নেতারা গতকাল বৃহস্পতিবার অচলাবস্থা নিরসনে দ্রুত সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ চান। একই সঙ্গে শ্রমিকদের কর্মসূচি থেকেও সরে আসার আহ্বান জানান তাঁরা। গতকাল বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতি দেন এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন, বিসিআই, এমসিসিআই, ডিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, বিটিটিএলএমইএ, বিজিএপিএমইএ এবং বিজিবিএর সভাপতিরা।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন