রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এ কথা বলেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে সড়কমন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকার এরইমধ্যে বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন, মহাসড়কে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু, চালকদের প্রশিক্ষণ জোরদার এবং আইন প্রয়োগের মাধ্যমে দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার জন্য কাজ চলছে।
তিনি বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এ ক্ষেত্রে নাগরিক সচেতনতা এবং সামাজিক আন্দোলনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন: সংসদে পাস হওয়া বিল নিয়ে যা বললেন আইন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
এসময় মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতা কার্যক্রম, গণমাধ্যমে প্রচারণা এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সম্পৃক্ততা সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নিরাপদ সড়ক চাই-এর কার্যক্রমের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, তাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর প্রতিনিধিদল বলেন, বর্তমান সরকারের কার্যক্রম এবং বিশেষ করে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি’র আন্তরিক উদ্যোগ সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তারা মন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করে উল্লেখ করেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়কে গতিনিয়ন্ত্রণ, ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, চালকদের প্রশিক্ষণ উন্নয়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা জরুরি। পাশাপাশি দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান চিহ্নিতকরণ ও জনসচেতনতা বাড়াতে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান।
সড়ক ও সেতুমন্ত্রী প্রতিনিধিদলের প্রস্তাবগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করবেন বলে জানান। তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে কাজ করলে অবশ্যই সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব এবং দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা যাবে। সাক্ষাৎ শেষে উভয়পক্ষই ভবিষ্যতে যৌথভাবে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে দেশের সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, দুর্ঘটনা হ্রাসে করণীয় এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

৩ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·