নিজেদের পুরোটা দিয়েও জিততে না পারার আক্ষেপ রশিদ খানের

১ মাস আগে
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আফগানিস্তানের লড়াইটা হয় হাড্ডাহাড্ডি। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচটি গড়ায় সুপার ওভারে। প্রথম সুপার ওভারও টাই হয়। পরে দ্বিতীয় সুপার ওভারে আফগানিস্তানকে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে টানা দুই ম্যাচ ম্যাচ হারে বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার শঙ্কায় পড়ে গেছে আফগানরা। তবে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ম্যাচ জয়ের এমন সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার আক্ষেপে পুড়েছেন রশিদরা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচ হেরে অনেকটা ব্যাকফুটে চলে গেছে আফগানিস্তান। সুপার এইটে খেলতে হলে বাকি দুই ম্যাচ জিততে হবে বড় ব্যবধানে। পাশাপাশি তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচগুলোর ফলাফলের দিকে। 

 

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে ১৮৭ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে রান তাড়ায় ভালোভাবেই এগোচ্ছিল আফগানিস্তান। শেষ দিকে ম্যাচ জিততে হলে ফ্রি হিটসহ শেষ তিন বলে দরকার ছিল ২ রান। পরে দুই রান নিতে গিয়ে রানআউট হন ফজলহক ফারুকী। আর তাতেই ম্যাচ টাই হয়। 

 

আরও পড়ুন: রিশাদের পর পিএসএলে দল পেলেন নাহিদ ও ইমন

 

প্রথম সুপার ওভারে শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ টাই করেন ত্রিস্তান স্টাবস। দ্বিতীয় সুপার ওভারে আর পেরে ওঠেনি আফগানরা। শেষ বলে ৫ রানের সমীকরণ মেলাতে না পারায় হারতে হয় রশিদ-গুরবাজদের। 

 

এ নিয়ে অবশ্য আক্ষেপ করেছেন রশিদ খান। ‘আমরা রান তাড়ার সেরা সুযোগই পেয়েছিলাম। কিন্তু একটুর জন্য পারিনি… শেষ সুপার ওভারে আমার মনে হয়, তিন ছক্কা মেরেছে (গুরবাজ), শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ১ বলে ৫ রান, খুব কাছেই ছিলাম। সুপার ওভারেও আমাদের সামনে সুযোগ ছিল। এমনকি শেষ সুপার ওভারেও ১ বলে ৫ রান প্রয়োজন ছিল, এটা যে কোনো দিকেই যেতে পারত।’   

 

আরও পড়ুন: প্রথমবারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে নারী বিপিএল

 

সবমিলিয়ে মাঠে সর্বোচ্চটা দিয়েও ফলাফল না পাওয়ায় হতাশ রশিদ। ‘তবে আমি মনে করি, সার্বিকভাবে আমরা মাঠে নিজেদের পুরোটা দিয়েছি। আর ফলের কথা বললে, আমরা সঠিক ফল পাইনি।’ 

 

‘রান তাড়ার সময় আমাদের ভাবনায় ছিল, এটা ভালো উইকেট। এই উইকেটে আমরা আইপিএলে প্রচুর ম্যাচ খেলি। এখানে গড় রান ১৯০-১৯৫। দলের মধ্যে আলোচনা হচ্ছিল যে, হ্যাঁ, ওরা ভালো একটা শুরু পেয়েছে। তবে শেষ ১০ ওভারে নিজেদের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করি এবং যতটা সম্ভব ভালো বোলিং করি, আর ওদের দুইশ রানের নিচে থামাই।’

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন