আদালতের নথি অনুযায়ী, পলস ভ্যালি হাই স্কুলের অধ্যক্ষ কার্ক মুর গত ৭ এপ্রিলের ওই হামলার সময় পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। কিন্তু তিনি সন্দেহভাজনকে জাপটে ধরে একটি বেঞ্চের ওপর ফেলেন, তাকে নিরস্ত্র করেন এবং আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা না আসা পর্যন্ত হামলাকারীকে চেপে ধরে রাখেন।
উন্মুক্ত তথ্য অধিকার আইনের অধীনে করা এক অনুরোধের জবাবে স্কুল কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত ভিডিওটিতে দেখা যায়, গাঢ় রঙের হুডিওয়ালা সোয়েটশার্ট পরা এক ব্যক্তি স্কুলে প্রবেশ করে লবিতে থাকা দুই ছাত্রের দিকে একটি হ্যান্ডগান তাক করে আছে।
বন্দুকধারী গুলি চালানোর মুহূর্তে, অধ্যক্ষ কার্ক মুর তার দিকে ছুটে গিয়ে তাকে জাপটে ধরে নিরস্ত্র করে, এসময় ছাত্ররা পালিয়ে যায়।
এরপর স্কুলের অন্য একজন কর্মকর্তাকে সেখানে গিয়ে বন্দুকটি লাথি মেরে সরিয়ে দিতে দেখা যায় এবং তারপর তিনি সেটি তুলে নিয়ে যান।
এই হামলায় কোনো শিক্ষার্থী আহত হয়নি।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপিতে বন্দুক হামলায় শিশুসহ নিহত ছয়
গুলি চালানোর ঘটনার পর ওকলাহোমা স্টেট ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের মুখপাত্র হান্টার ম্যাককি বলেন, ‘একজনের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র দেখামাত্রই কর্মকর্তা ও অধ্যক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ আজ প্রাণ বাঁচিয়েছে।’
সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা এক বিবৃতিতে অধ্যক্ষ মুর বলেছেন, ‘আমি যত দ্রুত সম্ভব কাজে ফিরতে চাই, যাতে ওকলাহোমার পরবর্তী প্রজন্মের নেতাদের শিক্ষিত করার কাজ চালিয়ে যেতে পারি।’
কর্তৃপক্ষ ওই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ২০ বছর বয়সি ভিক্টর লি হকিন্সকে গ্রেফতার করেছে, যার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র বহন, হত্যার উদ্দেশে গুলি চালানো এবং আগ্নেয়াস্ত্র তাক করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
ওএসবিআই-এর একটি হলফনামা অনুসারে, হকিন্স তদন্তকারীদের বলেছেন যে তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের ও অধ্যক্ষ মুরকে হত্যা এবং তারপর আত্মহত্যার পরিকল্পনা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলেন।
হকিন্স ফৌজদারি অভিযোগগুলোর জন্য নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন। ওকলাহোমা ইনডিজেন্ট ডিফেন্স সিস্টেমের নীতিমালার কথা উল্লেখ করে অভিযোগগুলো সম্পর্কে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন হকিন্সের আদালত-নিযুক্ত আইনজীবী টাইসন স্টানেক।
সূত্র: এপি, সিবিএস নিউজ
]]>
১৬ ঘন্টা আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·