নারায়ণগঞ্জ-৪: স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলমের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

৪ সপ্তাহ আগে
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহ আলমের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলামের আমলী আদালতে (ফতুল্লা) এ মামলা দায়ের করেন।

 

মামলায় মো. শাহ আলমসহ মোট ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

 

অপর আসামিরা হলেন: শাহ আলমের স্ত্রী, দুই ছেলে, তার কর্মী জিয়াউল হক জিয়া, সোয়েব আক্তার সোহাগ, পলাশ হোসেন শরীফ ও শাহীন মুন্সী।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী ভূঁইয়া বলেন, ‘আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।’

 

আরও পড়ুন: ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৫৬১ মামলা

 

মামলার আবেদনে বাদী সাইফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও মো. শাহ আলম নিজেকে বিএনপির পরিচয়ে উপস্থাপন করে হরিণ প্রতীকে ভোট চাইছেন। তিনি ‘তারেক রহমানের মার্কা হরিণ মার্কা, দেশনেত্রীর মার্কা হরিণ মার্কা’ স্লোগান ব্যবহার করে ভোটারদের বিভ্রান্ত করছেন। এসব কর্মকাণ্ড নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী ভূঁইয়া সময় সংবাদকে বলেন, ‘মো. শাহ আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার পর বিএনপি থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। তবে তিনি নির্বাচনে তার হরিণ প্রতীককে তারেক রহমানের মার্কা এবং বেগম খালেদা জিয়ার মার্কা বলে প্রচার করছেন, যা সম্পূর্ণ প্রতারণা ও জালিয়াতি। এর মাধ্যমে তিনি ভোটারদেরকে বিভ্রান্ত করছেন। যে কারণে সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে মো. শাহ আলমের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের আমলী আদালতে (ফতুল্লা) জালিয়াতির একটি মামলা করেছেন। মামলায় শাহ আলমের স্ত্রী, দুই ছেলে এবং তার দুই কর্মী সোহাগ ও শরীফকেও আসামি করা হয়েছে।’

 

আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় ছয় মরদেহ পোড়ানো: ট্রাইব্যুনালে ক্ষমা পেলেন রাজসাক্ষী আবজালুল

 

এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘আদালত মামলার আবেদনটি আমলে নিয়েছেন এবং তদন্ত করার জন্য জেলা সিআইডিকে দায়িত্ব দিয়েছেন। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপারকে তদন্ত করে আগামি ১২ মে তারিখের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে সিআইডি তদন্ত শেষ করে নির্ধারত তারিখের আগেও প্রতিবেদন দাখিল করতে পারে। সিআইডির প্রতিবেদন যদি পজেটিভ হয়, তাদের তদন্তে যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে আমরা আসামির বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু করার জন্য আদালতে আবেদন জানাবো।’

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন