নামাজরত ফিলিস্তিনিকে গাড়িচাপা দিলেন ইসরাইলি সেনা

২ সপ্তাহ আগে
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে রাস্তার ধারে নামাজরত এক ফিলিস্তিনি ব্যক্তির ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছেন এক ইসরায়েলি সৈন্য। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) এই রোমহর্ষক ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন রিজার্ভ সেনা সদস্য। ঘটনার পরপরই তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে এবং কেড়ে নেয়া হয়েছে সঙ্গে থাকা অস্ত্র।


ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বেসামরিক পোশাক পরা ওই ইসরায়েলি সেনা কাঁধে বন্দুক ঝুলিয়ে অল-টেরেইন ভেহিকল (এটিভি) নিয়ে সরাসরি নামাজরত ফিলিস্তিনি যুবককে ধাক্কা দেন। যুবকটি মাটিতে ছিটকে পড়লে ওই সেনা চিৎকার করে এবং অঙ্গভঙ্গি করে তাকে দ্রুত ওই এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।


ভুক্তভোগী যুবকের বাবা মাজদি আবু মাখো বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, তার ছেলে বর্তমানে বাড়িতে থাকলেও দুই পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করছেন। তিনি আরও দাবি করেন, ভিডিওতে ধরা না পড়লেও ওই সেনা তার ছেলের চোখে পেপার স্প্রে ছিটিয়ে দিয়েছিলেন।


 

Shocking footage shows an armed Israeli settler driving a four-wheel-drive vehicle and deliberately running over a Palestinian worshipper for no apparent reason, then continuing to try to push him off the road. The incident occurred near Ramallah. pic.twitter.com/4RQuY3jdLv

— ✌️🇵🇸✌️ Mohammed Najjar (@hamada_pal2020) December 25, 2025


ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইসরায়েল’ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পাঁচ দিনের জন্য গৃহবন্দী রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর আগেও ওই ব্যক্তি গ্রামে গুলি চালিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।


আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতিতেও দুর্দশা কাটেনি ফিলিস্তিনিদের, ইসরাইলি হামলা অব্যাহত


জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালটি গাজার পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের (বসতি স্থাপনকারী) হামলার ক্ষেত্রে রেকর্ড সৃষ্টিকারী ‘সহিংস বছর’।


উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলি নিহত ও ২৫১ জন অপহৃত হয়। এর জবাবে ইসরায়েলের টানা দুই বছরের যুদ্ধে গাজায় এ পর্যন্ত প্রায় ৭১ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের অর্ধেকই নারী ও শিশু।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন