সম্প্রতি ঠাকুরগাঁওয়ের লিচুর বাগানে বাগানে গিয়ে দেখা যায়, গাছের ডালে ডালে মুকুলের সমারোহ। এর মিষ্টি গন্ধে এক ফুল থেকে অন্য ফুলে ছুটে বেড়াচ্ছে মৌমাছি। মুকুল ভালো আসায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মৌচাষিরা ছুটে এসেছেন বাগানে। গাছের ফাঁকে ফাঁকে বসানো মৌবাক্স থেকে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা।
জানা যায়, বাগান থেকেই মধু কিনছেন স্থানীয় ও বাইরের ক্রেতারা। আর মৌমাছির জন্য পরাগায়ন হওয়ায় খুশি বাগান মালিকরা। তবে মধু উৎপাদন বাড়াতে সরকারি সহায়তার দাবি মৌ চাষিদের।
আরও পড়ুন: মধুর যে উপকারিতার কথা উল্লেখ আছে কোরআন ও হাদিসে
মৌ চাষি মোছাদ্দেক হোসেন ও আবু বক্কর সিদ্দিকের দাবি, অন্যান্য মৌসুমের চেয়ে চলতি মৌসুমে বাগানগুলোতে মুকুল বেশি আসায় বাক্স বসিয়ে নিয়মিত মধু সংগ্রহের কাজ করতে পেরে খুশি শ্রমিকরাও। তবে প্রশিক্ষণের অভাবে উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও অঞ্চলে প্রতি বছর কয়েক হাজার কোটি টাকার মধু নষ্ট হয়। এজন্য সরকারের প্রদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চাষি ও শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা গেলে ক্ষতির পরিমাণটা কমবে।
এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন,
মৌ চাষিরা বাগানে বাগানে মৌ কলোনি স্থাপন করে মধু উৎপাদন করছেন। এরইমধ্যে এক হাজার কেজি মধু সংগ্রহ হয়েছে। এর পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। তবে মৌ চাষিদের প্রশিক্ষণের বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হবে।
আরও পড়ুন: খালি পেটে মধু খাওয়ার আগে ৫ বিষয় খেয়াল রাখুন
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঠাকুরগাঁওয়ে প্রায় তিনশ হেক্টর জমিতে লিচু বাগান রয়েছে। চলতি মৌসুমে এসব বাগান থেকে ৩০০ মেট্রিক টনের বেশি মধু সংগ্রহ করা হবে।
]]>