রোববার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার মাধবদী থানার চরমাধবদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাহমুদা আক্তার পলাশ উপজেলার বারারচর এলাকার মজিবুর রহমানের মেয়ে এবং চরমাধবদী এলাকার বাবুল মিয়ার স্ত্রী। তাদের ২০ বছরের দাম্পত্য জীবনে একটি ছেলেসন্তান রয়েছে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে মাহমুদা স্থানীয় বাজার থেকে ফেরার পর তিনি অসুস্থ বলে তার বাবার বাড়িতে খবর দেওয়া হয়। মাহমুদার ভাতিজা সেখানে গিয়ে তাকে সেবাশুশ্রূষা করে সুস্থ দেখে ফিরে আসেন। তবে সন্ধ্যার দিকে মাহমুদার ছেলে ভিডিও কলে তার মামাকে জানায়, মা মারা গেছেন। স্বজনরা সেখানে গিয়ে মাহমুদার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। এ সময় পরিবারের কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।
নিহতের স্বজনদের দাবি, অভাব-অনটনের জেরে ৫০ বছর বয়সী বাবুল মিয়া প্রায়ই মাহমুদাকে নির্যাতন করতেন। রোববারও তাকে পিটিয়ে হত্যা করে সবাই পালিয়ে গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত বাবুল মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: মেহেরপুরে ঘরের আড়ায় ঝুলছিল গৃহবধূর মরদেহ
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশ জানতে পেরেছে, নিহত নারী দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন এবং নিয়মিত ইনসুলিন নিতেন।
ওসি আরও বলেন, 'ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।'

২ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·