চার শতাধিক নাগরিক সংগঠনের অংশগ্রহণে এবং তুর্কি যুব ফাউন্ডেশন (টিইউজিভিএ)-এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভের স্লোগান ছিল ‘আমরা ভয় পাব না, নীরব থাকব না, ফিলিস্তিনকে ভুলব না’। অংশগ্রহণকারীরা গাজায় চলমান গণহত্যা বন্ধের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শুরুর আগে ফজরের নামাজে অংশ নিতে ইস্তাম্বুলের বিভিন্ন প্রধান মসজিদে বিপুল সংখ্য মানুষ জড়ো হন। এর মধ্যে ছিল আয়া সোফিয়া গ্র্যান্ড মসজিদ, সুলতানাহমেত, ফাতিহ, সুলায়মানিয়া ও এমিনোনু নিউ মসজিদ। মসজিদের প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে অনেকেই তুরস্ক ও ফিলিস্তিনের পতাকা বহন করে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: গাজায় ৩৭টি আর্ন্তজাতিক ত্রাণ সংস্থার কার্যকম বন্ধের পরিকল্পনা ইসরাইলের
প্রতিকূর আবহাওয়া থাকা সত্ত্বেও উপস্থিতি ছিল ব্যাপক। বিশেষ করে সুলতানাহমেত স্কয়ার এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীদের গরম পানীয়ও বিতরণ করা হয়।
ফজরের নামাজ শেষে বিক্ষোভকারীরা পায়ে হেঁটে গালাতা সেতুর দিকে যাত্রা করেন। এসময় তুর্কি সরকারের মন্ত্রী, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও সমাবেশে যোগ দেন। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচি শুরু হয়।
আরও পড়ুন: ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ‘হারেৎজ’ বর্জনের ঘোষণা নেতানিয়াহু সরকারের
অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত শিল্পী ও সংগীতশিল্পীদের পরিবেশনাও ছিল। এর মধ্যে ছিলেন লেবানিজ-সুইডিশ গায়ক মাহের জাইন, তুর্কি শিল্পী এসাত কাবাকলি এবং ব্যান্ড গ্রুপ ইউরুশ।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজন্সি
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·