নকল শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে হামলা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল!

৪ সপ্তাহ আগে
ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোনের আদলে তৈরি ‘লুকাস’ ড্রোন ব্যবহার করে এই অঞ্চলে হামলা চালাচ্ছে এবং এর দায় ইরানের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে।

ইরানি গণমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দফতর অভিযোগ করেছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তুরস্ক, কুয়েত এবং ইরাকের মতো প্রতিবেশী ও বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর বিভিন্ন কেন্দ্রে চালানো বর্বরোচিত হামলা এবং এসব হামলার দায় ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর ওপর চাপানো এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো ইরানি সামরিক বাহিনীর ‘প্রতিরক্ষামূলক, আইনি এবং বৈধ পদক্ষেপগুলোকে’ খাটো করা এবং তেহরানের সঙ্গে তার প্রতিবেশীদের ‘বিবাদ ও বিভেদ সৃষ্টি’ করা।

 

আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অন্য দেশের সহযোগিতা চাইলেন ট্রাম্প

 

খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দফতর আরও জানায়, ইরান শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের লক্ষ্যবস্তু ও স্বার্থের ওপরই হামলা চালায়। এছাড়া ইরান যেখানেই হামলা চালাবে, সে বিষয়ে সরকারিভাবে ঘোষণা দিয়ে দায় স্বীকার করবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

 

এদিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। শিল্পনগরী ইসফাহানে যৌথ বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন হতাহতের খবর পাওয়া যায়। একই সময়ে তেহরানে আরেক হামলায় ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া জরুরি কমান্ডের গোয়েন্দা শাখার দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, আবদুল্লাহ জালালি-নাসাব ও আমির শরিয়াত নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে নেতানিয়াহু বাহিনী।

 

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা যেভাবে মার্কিন দুর্বলতা উন্মোচন করেছে

 

অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটির লক্ষ্য করে ৫০তম ধাপের অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছে আইআরজিসি। সংঘাতের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলেও। কুয়েতের আহমদ আল জাবের বিমানঘাঁটির কাছে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করে। হামলা চালানো হয় দেশটির বিমানবন্দরেও। একই সময়ে বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন আঘাত হেনেছে বলে জানায় নিরাপত্তা সূত্র।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন