ট্রাম্প বলেছেন যে, তেহরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো চুক্তিতে না পৌঁছায় এবং হরমুজ প্রণালী খুলে না দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও তেল কূপগুলো ‘উড়িয়ে দেবে এবং সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন করে দেবে।’ এরপর ইরানের সাথে যুদ্ধের অবসান ঘটাবে।
সংঘাত বন্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া ১৫ দফা তালিকায় ‘বেশিরভাগই অতিরিক্ত, অবাস্তব ও অযৌক্তিক দাবি’, বলে ইরান জানানোর পর ট্রাম্পের এই মন্তব্যটি আসে।
আরও পড়ুন:১ হাজার পাউন্ড ইউরেনিয়ামের জন্যই কী ইরানে সেনা নামাতে চান ট্রাম্প?
এর মাধ্যমে ইরান ট্রাম্পের সেই দাবির বিরোধিতা করেছে, যেখানে তিনি বলেছিলেন যে ইরান তালিকার ‘অধিকাংশ’ অনুরোধে সম্মত হয়েছে।
এদিকে, ট্রাম্প বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘নতুন নেতৃত্বের’ সাথে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ আলোচনা চালাচ্ছে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, যদি যুদ্ধবিরতিতে সমঝোতা না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র এমন সব জায়গায় হামলা চালাবে যেখানে তারা ‘ইচ্ছাকৃতভাবে এখনও হাত দেয়নি’।
ট্রাম্প প্রধান জ্বালানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের বিরুদ্ধেও তার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
এর আগে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র যুদ্ধ শেষ করার মার্কিন প্রস্তাবগুলোকে ‘অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেছেন বলে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।
এছাড়া ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় জড়িত থাকার কথা ইরান অস্বীকার করেছে, এমন এক সময়ে যখন যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে স্থলবাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে।
আরও পড়ুন:ইরান যুদ্ধে জড়িত মার্কিন বিমানগুলোর জন্য আকাশসীমা বন্ধ করল স্পেন
অন্যদিকে, এই অঞ্চলের জন্য উত্তেজনা প্রশমনের কৌশল নিয়ে আলোচনা করতে পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করেছেন।
সূত্র: বিবিসি

২ সপ্তাহ আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·