দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা, পরিবেশ ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ’

১৬ ঘন্টা আগে
ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সরাসরি আলোচনা দ্বিতীয় দিনে গড়িয়েছে। বৈঠকের প্রথম ধাপে লেবাননে আগ্রাসন কমানোর নিশ্চয়তা এলেও হরমুজ ইস্যুতে এখনও সমঝোতায় আসেনি দুই দেশ।

রোববার (১২ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, আলোচনায় ইরানের জব্দকৃত সম্পদ যুক্তরাষ্ট্র ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

 

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানায়, হরমুজ ইস্যুতে এখনও সমঝোতায় আসেনি দুই পক্ষ। তবে, লেবাননে হামলা কমানোর বিষয়ে তেহরান নিশ্চয়তা পেয়েছে বলে জানা গেছে।

 

ইরানি সূত্রগুলো জানিয়েছে, টানা প্রায় ১৫ ঘণ্টা আলোচনার পর দুই পক্ষ এখন বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে খসড়া বিনিময় করছে। এটি সংশ্লিষ্টদের মধ্যে এই আশা জাগাচ্ছে যে, একটি বৃহত্তর কাঠামোর বিষয়ে উভয় পক্ষ এরইমধ্যে একমত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা এখন পরবর্তী পদক্ষেপের বিস্তারিত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছেন।

 

আরও পড়ুন: ইরানের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকে অংশ নিয়েছেন জেডি ভ্যান্স: হোয়াইট হাউস

 

আলোচনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউস থেকে মন্তব্য করেন, ফল যাই হোক যুক্তরাষ্ট্র জিতবে। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেকাংশে দুর্বল করেছে এবং হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

 

এদিকে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শেষ হয়নি এবং আরও কাজ বাকি আছে। পাশাপাশি লেবাননের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়েও কঠোর শর্ত আরোপ করেছে ইসরাইল। বৈরুতের সঙ্গে তেল আবিব একটি সত্যিকারের শান্তি চুক্তি চায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

আরও পড়ুন: লেবাননে ইসরাইলের ধ্বংসযজ্ঞ চলছেই

 

মার্কিন সেন্টকম দাবি করেছে, নিরাপত্তা অভিযানের অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে দুটি যুদ্ধজাহাজ অতিক্রম করেছে। যদিও ইরান তা সরাসরি অস্বীকার করেছে। একই সঙ্গে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, প্রণালিতে কোনো সামরিক জাহাজ প্রবেশ করলে তার কঠোর জবাব দেয়া হবে।

 

অন্যদিকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে নতুন করে ইসরাইলি হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় একাধিক আক্রমণের খবরও এসেছে, যা অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন