অধিদফতরের বাজেট শাখা থেকে জারি করা এক আদেশে এ অর্থ ব্যয়ের অনুমোদন ও মঞ্জুরি দেয়া হয়।
এই অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রশাসনিক ব্যয়, অবকাঠামো মেরামত, সরঞ্জাম ক্রয় এবং বকেয়া পাওনা পরিশোধে খরচ করা হবে।
মাউশি জানিয়েছে, এ বরাদ্দের আওতায় বিদ্যালয়গুলো ২০২৪-২৫, ২০২৩-২৪ এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরের বকেয়া পাওনাদি পরিশোধ করতে পারবে।
খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রশাসনিক ব্যয়, জ্বালানি (পেট্রোল, অয়েল ও লুব্রিকেন্ট), ভ্রমণ ও বদলি ভাতা, মুদ্রণ ও মনিহারি, সাধারণ সরবরাহ ও কাঁচামাল এবং যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি।
আরও পড়ুন: বিদ্যালয় পরিদর্শন ক্যালেন্ডার নিয়ে কঠোর অবস্থানে মাউশি
আদেশে বলা হয়, সদ্য সরকারি করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা মাউশি’র পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো বকেয়া বেতন-ভাতা উত্তোলন করতে পারবেন না।
এতে আরও বলা হয়, শ্রান্তিবিনোদন ছুটির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তাদের অধীনস্থদের ছুটি মঞ্জুর করবেন এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ছুটি মঞ্জুর করবে শিক্ষা অধিদফতর।
বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি সব আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
মাউশি জানিয়েছে, এ অর্থ ব্যয়ে ভবিষ্যতে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যয় নির্বাহকারী কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান প্রধান ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।
আগামী ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে বরাদ্দের অব্যয়িত বা উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

২ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·