বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বলছে, চলতি বছরের প্রথম ২ মাসে দেশের বাজারে ১৩ বার বাড়ানো হয়েছে রুপার দাম, আর কমেছে ৭ বার। তবে গত বছরের একই সময়ে দাম সমন্বয় করা হয়নি একবারও।
চলতি বছর শুরু হয়েছিল রুপার দাম পতনের মধ্য দিয়ে। ১ জানুয়ারি ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে ৫২৫ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। তবে ৫ জানুয়ারি বাড়ানো হয় রুপার দাম। এরপর ৮ জানুয়ারি দাম কমিয়ে এই ধাতুর দাম নির্ধারণ করা হয় ৫ হাজার ৫৪০ টাকা।
তবে এরপরই রুপার বাজারে দেখা দেয় টানা উত্থান। ১২, ১৯, ২০ ও ২১ জানুয়ারি টানা ৪ দফা বাড়ানো হয় দাম। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম গিয়ে ঠেকে ৬ হাজার ৮৮২ টাকা। এর মধ্যে ১৯, ২০ ও ২১ জানুয়ারি দাম বেড়ে প্রতিবারই দেশে সর্বোচ্চে পৌঁছায়।
আরও পড়ুন: সকালের পর রাতেও যে কারণে বাড়ল স্বর্ণ ও রুপার দাম
গত ২২ জানুয়ারি ভরিতে ৫২৫ টাকা কমিয়ে রুপার দাম নির্ধারণ করা হয় ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। তারপর ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে গত ২৩ জানুয়ারি ৫২৫ টাকা বাড়িয়ে রুপার দাম দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৮৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এরপর ফের ২৫, ২৬ ও ২৯ জানুয়ারি টানা বাড়ানো হয় মূল্যবান এই ধাতুর দাম। প্রতিবারই তৈরি হয় নতুন রেকর্ড। গত ২৯ জানুয়ারি ৮১৬ টাকা বাড়িয়ে রুপার দাম নির্ধারণ করা হয় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫৭৩ টাকা।
তবে এরপরই ঘটে ছন্দপতন। গত ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি এবং ২ ফেব্রুয়ারি টানা ৩ দফায় এই ধাতুর দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাজুস। তিন দফায় মোট ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয় ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়।
পরেরদিন ৩ ফেব্রুয়ারি ১৭৫ টাকা বেড়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৫৩২ টাকা ও গত ৬ ফেব্রুয়ারি পুনারায় ১৭৫ টাকা কমিয়ে আগের মূল্যে ফেরানো হয় রুপার দাম।
এরপর গত ২১ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি টানা ৩ দফায় বাড়ানো হয় রুপার দাম। সবশেষ ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে দেয়া নতুন দাম অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ২২ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৯৯৮ টাকা। অর্থাৎ সবশেষ টানা ৩ দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে মোট ৬৪১ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে রুপার দামের অস্বাভাবিক উত্থান-পতনের কারণেই বারবার দাম সমন্বয় করতে হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

৫ দিন আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·