নিহতের নাম জহিরুল ইসলাম সিকদার (৫০)। তিনি একই গ্রামের মরহুম শামসুল হক সিকদারের ছেলে। এ ঘটনায় মো. মুনসুর সিকদার (৬৫) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি জহিরুল ইসলাম সিকদারের আপন চাচাতো ভাই। ছুরি দিয়ে জহিরুল ইসলাম সিকদারকে তিনি আঘাত করেছেন। এ ঘটনায় উদ্ধার করা হয়েছে ছুরিটিও।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের মো. মুনসুর সিকদার ও আপন ভাই ফরিদ সিকদারের মধ্যে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ২৬ শতাংশ জমি নিয়ে প্রায় ২৫ বছর ধরে দ্বন্দ্ব চলছে। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশও হয়েছে। কিন্তু কোনো সমাধান হয়নি। ঘটনার দিন শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার সময় এ জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মুনসুর সিদার ছুরি নিয়ে তার আপন ভাই ফরিদ সিকদারকে ধাওয়া করেন। এসময় তাদের আপন চাচাতো ভাই জহিরুল ইসলাম সিকদার বাধা দেন। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে মুনসুর সিকদার তার হাতে থাকা ছুড়ি জহিরুল ইসলাম সিকদারের বাম পাঁজরে ছুরি ঢুকিয়ে দেন। এতে সাথে সাথেই জহিরুল ইসলাম সিকদার মাটিতে লুটিয়ে পরেন।
এ সময় স্থানীয় ও স্বজনরা জহিরুল ইসলাম সিকদারকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় অধিবাসী মো. লিমন হাওলাদার বলেন, 'মুনসুর সিকদার ও ফরিদ সিকদারের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব আমি নিজেও সমাধানে চেষ্টা করছি। কিন্তু পারিনি। এই অল্প জমির জন্য আজ একজন প্রাণ হারালেন।'
আরও পড়ুন: ফটিকছড়িতে দুর্বৃত্তের গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত
এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামন বলেন, 'নিহত জহিরুলের বাম পজরে ধারালো ছুরির আঘাত রয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।'
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিসহ মুনসুর সিকদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় জিঞ্জাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী শেফালি বেগমকেও থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলেও জানান তিনি।

৫ দিন আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·