কাঠ, বাঁশ আর কাগজের শরীরে প্রাণ পাচ্ছে লোকজ মোটিফ। বাঘ, সিংহ, প্যাঁচা আর শখের হাড়িতে রঙের ছোঁয়া। চারুকলা শিক্ষার্থীদের নিপুণ ছোঁয়ায় তৈরি হয়েছে টেপা পুতুল, শান্তির পায়রা, মোরগ ও সূর্যের মোটিফ। বাউলদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নির্মাণ করা হয়েছে দোতারা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ বলেন, এটা একটি সাংস্কৃতিক এবং প্রাণের সম্মিলন উৎসব। বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহত্তর উৎসব। পুরো শোভাযাত্রাটিকে আপনারা ক্যাভাস হিসেবে চিন্তা করতে পারেন।
এসো হে বৈশাখ সমবেত কণ্ঠে গান ও আবৃত্তির মহড়ার মধ্য দিয়ে রমনার বটমূলে প্রস্তুতি সেরেছে ছায়ানট। ভোরের আলো ফোটার আগে শিশিরভেজা বাতাসে সুর, বাণী, ছন্দে শুরু হবে এবারের প্রভাতী আয়োজন। ৮টি সমবেত ও ১৪টি একক সংগীত এবং দুটি আবৃত্তি দিয়ে সাজানো থাকবে এবারের আসর।
আরও পড়ুন: পহেলা বৈশাখে কেমন থাকবে আবহাওয়া?
ছায়ানট যুগ্ম সম্পাদক জয়ন্ত কুমার রায় বলেন, প্রস্তুতি শুরু হয়েছে আরও মাস তিনেক আগে থেকে। এখন চূড়ান্ত মহড়া চলছে। আমাদের বর্ষ ভাবনা হচ্ছে-‘চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ যেথা শির’। আমরা চাই, আমরা যেনো অভয় মনে গানটা গাইতে পারি।
পহেলা বৈশাখ ঘিরে রমনা বটমূলে নিরাপত্তা মহড়া দিয়েছে এলিট ফোর্স র্যাব। এর মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ জানান, নাশকতার কোনো শঙ্কা নেই। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৈরি থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
তিনি বলেন, বাংলার নববর্ষকে কেন্দ্র করে নাশকতার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানগুলোতে কোনো গোষ্ঠী যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সে লক্ষ্যে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

১ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·