দীপু চন্দ্র দাসের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস জেলা প্রশাসনের

৩ সপ্তাহ আগে
ময়মনসিংহের ভালুকায় নিহত পোশাকশ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের মোকামিয়াকান্দা গ্রামে তার বাড়িতে যান জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান ও স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দীপু চন্দ্র দাসের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা, শুকনা খাবার, শীতবস্ত্র, সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। দীপুকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেন পরিবারের সদস্যরা।


জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বলেন, আমরা পরিবারটিকে বিধবা ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। শোক কাটিয়ে উঠলে তাদের যে ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, তা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা হবে। ইতিমধ্যে ১২ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অডিও এবং ভিডিও চিত্র দেখে যারা সরাসরি জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলমান।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন- তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম নাজমুস ছালেহীন প্রমুখ।


আরও পড়ুন: দিপু চন্দ্র দাসকে পুড়িয়ে হত্যা: ১২ আসামি তিন দিনের রিমান্ডে


ভালুকার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানার কর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভাজকের একটি গাছে বিবস্ত্র করে ঝুলিয়ে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।


দীপু চন্দ্র তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের মোকামিয়াকান্দা গ্রামের রবি চন্দ্র দাসের ছেলে। এ ঘটনায় তার ভাই অপু চন্দ্র দাস বাদী হয়ে পরদিন অজ্ঞাতপরিচয় ১৪০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন