তেল পাচার ঠেকাতে যশোরের সীমান্তে বিজিবির ১১৩১ চেকপোস্ট

২ সপ্তাহ আগে
বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সাথে অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধেও ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে সীমান্তরক্ষী এই বাহিনীটি।

সোমবার (৩০ মার্চ) যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

 

৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে কেউ যেন সীমান্ত দিয়ে তেল পাচার করতে না পারে, সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি ডিপোগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সাথে ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে কাজ করছে বিজিবি।

 

সীমান্ত ও নৌপথে অবৈধ তেল পাচার রোধ এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ মজুতদারি বন্ধ করতে যশোর রিজিয়নের আওতায় সাতটি ব্যাটালিয়ন তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করছে। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বিজিবি এখন পর্যন্ত ১৯২টি বিশেষ তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে এবং সীমান্তবর্তী ২৯টি তেলের পাম্প নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছে। সন্দেহজনক রুটগুলোতে ১ হাজার ১৩১টি চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।

 

আরও পড়ুন: মজুত থাকতেও তেল সরবরাহ বন্ধ, যশোরে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

 

জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সাথে ৯৪৬টি মতবিনিময় সভা করেছে বিজিবি। এছাড়া প্রতিনিয়ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে যৌথভাবে অভিযান চালানো হচ্ছে। নদীপথেও স্পিডবোটের মাধ্যমে নিয়মিত ছয়টি টহল দল সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করছে, যাতে কোনোভাবেই নৌপথ ব্যবহার করে তেল পাচার হতে না পারে।

 

বিজিবি অধিনায়ক বলেন, ‘সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব।’

 

তাই দেশবাসীকে কোনো প্রকার গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। একই সাথে সীমান্তবর্তী এলাকায় জ্বালানি তেল সংক্রান্ত কোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্পে অবহিত করার আহ্বান জানান তিনি।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন