বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার ও ট্রেনযোগে প্রায় এক লাখ নেতাকর্মী রাজধানীতে সমবেত হচ্ছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা ও উপজেলা সদরসহ শিবগঞ্জ, গাবতলী, ধুনট, শেরপুর, সারিয়াকান্দি ও শাজাহানপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রায় ৫০০টি বাস প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলা থেকেই যাবে ২৫০টি বাস। বাকি ১১টি উপজেলা থেকে ২০ থেকে ২৫টি করে মোট আরও ২৫০টি বাস ঢাকায় যাবে।
আরও পড়ুন: পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করে ট্রাক ও অস্ত্র ফেলে পালাল ডাকাত দল
বাসের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে আরও অনেক নেতাকর্মী মাইক্রোবাস ও প্রাইভেট কারে ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন। এছাড়া গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৬টার ট্রেনে হাজারো নেতাকর্মী ঢাকায় যাচ্ছেন বলে জেলা বিএনপি জানিয়েছে।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেন, ‘তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়। এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ৫০০টির বেশি বাস বগুড়া থেকে যাবে। যেহেতু এটি তারেক রহমানের নিজ জেলা, তাই এখানকার নেতাকর্মীদের মধ্যে আলাদা উচ্ছ্বাস কাজ করছে। আমরা সবাইকে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নেতাকর্মীরা ঢাকায় পৌঁছাবেন।’
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·