রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মো. নাসিরুল আমিন সময় সংবাদকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওসি বলেন, ‘বিকেলে ছাত্রীর বাবার আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার পর ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়।’
এর আগে, পুলিশ হেফাজতে ছিলেন ওই শিক্ষক ও নিহতের এক সহপাঠী। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে সহপাঠীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয় বলেও জানান ওসি।
আরও পড়ুন: ঢাবি ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার: শিক্ষককে নিয়ে চিরকুটে যা লেখা আছে
সকালে ঢাবির থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর মৃত্যুর খবর পান শিক্ষক ও সহপাঠীরা। মিমো রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় তার বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন।
আরও পড়ুন: ঢাবি ছাত্রীর মৃত্যু ও চিরকুট নিয়ে যা বললেন বিভাগীয় প্রধান
বিভাগের চেয়ারপারসন কাজী তামান্না হক সিগমা গণমাধ্যমকে জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে আমরা তার মৃত্যুর খবর পাই। এরপর বিভাগের শিক্ষকরা তার বাসায় যান। পরে মিমোর রেখে যাওয়া একটি চিরকুটের ভিত্তিতে আমাদের এক শিক্ষকের সঙ্গে তার সম্পর্কের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এ কারণে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গেছে।

১ সপ্তাহে আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·