বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে টুর্নামেন্ট ঘিরে। বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প বলেন ইরান দল বিশ্বকাপে খেলতে আসতে পারে, তবে তাদের নিজেদের ‘জীবন ও নিরাপত্তা’ নিয়ে উদ্বেগ থাকতে পারে। এ মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে।
ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাব দিতে দেরি করেনি ইরান জাতীয় ফুটবল দল। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, বিশ্বকাপ আন্তর্জাতিক আসর, আর এর নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা, কোনো ব্যক্তি বা দেশ নয়। কঠিন লড়াই আর ধারাবাহিক জয়ের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতায় বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে ইরান। তাই তাদের বাদ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
আরও পড়ুন: ভালভার্দে একবিংশ শতাব্দীর ‘জুয়ানিতো’: রিয়াল কোচ
ইরানের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যদি কোনো স্বাগতিক দেশ অংশগ্রহণকারী দলগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে সেই দেশের বিশ্বকাপ আয়োজনের যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে পারে। অর্থাৎ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকলে, সমস্যাটা ইরানের নয় স্বাগতিক দেশের।
তবে বিতর্কের মাঝেই আরেক বার্তায় ট্রাম্প আশ্বস্ত করেছেন যে বিশ্বকাপে অংশ নেয়া খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করবে। রাজনৈতিক টানাপোড়েন বাড়লেও এখন পর্যন্ত ইরানের বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়নি ফিফা।
আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় যৌথভাবে হবে ৪৮ দলের এবারের বিশ্বকাপ। তবে, ‘জি’ গ্রুপে ইরানের তিনটি ম্যাচই হওয়ার কথা যুক্তরাষ্ট্রে। ১৫ জুন ক্যালিফোর্নিয়ায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করার কথা ইরানের। এরপর ২১ জুন একই মাঠে বেলজিয়াম ও আর গ্রুপের শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ মিশর, ম্যাচটি হবে সিয়াটলে।
আরও পড়ুন: বার্নাব্যুতে হবে মেসি-ইয়ামালদের ম্যাচ!
বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েও কোনো দলের না খেলার নজির আধুনিক ফুটবলে নেই। ইরান শেষ পর্যন্ত যদি সরে দাঁড়ায় বা ট্রাম্পের ওই মন্তব্য ধরে নিরাপত্তা শঙ্কায় বিশ্বকাপে না খেলে তবে কী হবে তা বলা কঠিন। এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এটে রেখেছে ফিফা।
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৮








Bengali (BD) ·
English (US) ·