ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

৩ সপ্তাহ আগে
শনিবার (২৮ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ জুড়ে ‘নো কিংস’ র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে বহু মানুষ ইরান যুদ্ধ এবং প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

এক মাস আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ হয় যুক্তরাষ্ট্রে। এ বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নামেন হাজার হাজার বিক্ষোভকারীরা।

 

সেন্ট পলের মিনেসোটা ক্যাপিটল লন এবং তার আশেপাশের রাস্তাগুলোতে হাজার হাজার মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ উল্টো করে মার্কিন পতাকা ধরেছিলেন, যা ঐতিহাসিকভাবে দুর্দশার প্রতীক।

 

আরও পড়ুন:ইরান যুদ্ধের এক মাস: ট্রাম্পের সামনে এখন শুধু কঠিন সিদ্ধান্ত


প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকে শনিবার তৃতীয় বারের মতো দেশব্যাপী ‘নো কিংস’ প্রতিবাদ হয়।


‘নো কিংস’ ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ৫০টি রাজ্য জুড়ে ৩,৩০০টিরও বেশি অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস ও ওয়াশিংটন ডিসি-র মতো শহরগুলিতে বিপুল জনসমাগম প্রত্যাশিত ছিল। আন্তর্জাতিকভাবে রোম, প্যারিস ও বার্লিনের মতো শহরগুলিতেও সমান্তরাল প্রতিবাদ অনুষ্ঠান হচ্ছে।

 

তবে মূল অনুষ্ঠানটি মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস-সেন্ট পল এলাকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, যা টুইন সিটিজ নামে পরিচিত।

 

গত ডিসেম্বরে ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন দমন অভিযানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় মধ্য-পশ্চিমের এই রাজ্যটি, যখন তিনি ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’ চালু করেন।

 

আগের দুটি ‘নো কিংস’ মিছিল জুন ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এতে লক্ষ লক্ষ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। অক্টোবরের প্রতিবাদের জবাবে ট্রাম্প একটি এআই-নির্মিত ভিডিও পোস্ট করেন, যেখানে তাকে বিক্ষোভকারীদের ওপর মল নিক্ষেপ করতে দেখা যায়।


এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য তার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারণার মধ্যে রয়েছে, যেখানে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার চেষ্টা করবে।

 

আরও পড়ুন:ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-মোদির ফোন কলে যোগ দিয়েছিলেন ইলন মাস্ক, কিসের ইঙ্গিত

 

আয়োজকরা জানিয়েছেন, ৫০টি রাজ্যেই ৩,১০০টিরও বেশি অনুষ্ঠান নিবন্ধিত হয়েছে, যা অক্টোবরের চেয়ে ৫০০টি বেশি।

 

এছাড়া মার্কিন আয়োজকরা অনুমান করেছেন যে, ‘নো কিংস’ র‍্যালির প্রথম দুই দফায় জুনে ৫০ লক্ষেরও বেশি এবং অক্টোবরে ৭০ লক্ষ মানুষ অংশ নিয়েছিল। এই সপ্তাহে তারা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে, শনিবার তারা ৯০ লক্ষ অংশগ্রহণকারীর প্রত্যাশা করছেন, যদিও সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে কিনা তা বলার সময় এখনও আসেনি।

 

 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন