সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে স্যান্ডার্স বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনের এই নির্লজ্জ লঙ্ঘন বিশ্বের যেকোনো দেশকে আরেকটি দেশের ওপর হামলা চালাতে, তাদের সম্পদ দখল করতে বা সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা করতে সবুজ সংকেত দেবে।’
তিনি ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ইউক্রেন আক্রমণের সিদ্ধান্তের সঙ্গে তুলনা করেন। স্যান্ডার্স বলেন, ‘ইউক্রেনে পুতিনের নৃশংস হামলাকে জাস্টিফাই করতে যে ভয়ংকর যুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল, এটিও ঠিক সেই একই যুক্তি।’
আরও পড়ুন: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযান ‘বিপজ্জনক উদাহরণ’: জাতিসংঘ মহাসচিব
তিনি আরও বলেন,
আসুন, এই সম্পর্কে আমরা কোনো ভুল না করি। এটি র্যাঙ্ক ইম্পেরিয়ালিজম। লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়গুলোর কথা এটি মনে করিয়ে দেয়, যা ভয়াবহ এক উত্তরাধিকার রেখে গেছে। গণতান্ত্রিক বিশ্বে এর নিন্দা হওয়াই উচিত এবং হবেই।
এদিকে ভেনেজুয়ালায় মার্কিন সামরিক অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মানবাধিকার ও সন্ত্রাসবাদ দমনবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত বেন সল। একইসঙ্গে এই ঘটনার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে অভিশংসন করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জাতিসংঘের দূত বেন সল বলেন, ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করা বেআইনি। এ ঘটনায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তদন্ত ও অভিশংসনের আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন: মাদুরোকে ‘অপরাধীর মতো’ হাঁটানোর ভিডিও প্রকাশ করল হোয়াইট হাউস
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে বেন সল বলেন, ‘আমি ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অবৈধ আগ্রাসন এবং দেশটির নেতা ও তার স্ত্রীর অবৈধ অপহরণের তীব্র নিন্দা জানাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভেনেজুয়েলায় প্রাণহানি ঘটেছে, তা মানবাধিকারের লঙ্ঘন। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া উচিত এবং তাকে অভিশংসিত করা উচিত।’
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·