টেবিলের নিচে ফেলে যাওয়া সেই শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি

১ সপ্তাহে আগে
রাস্তার পাশে দোকানের টেবিলের ফেলে যাওয়া সেই কন্যাশিশুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। সরেজমিনে সোমবার (২৭ এপ্রিল) জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সংকটাপন্ন নবজাতকটিকে চিকিৎসক ও নার্সরাই দেখভাল করছেন। তাদের পরিচর্যায় শিশুটি সুস্থ হয়ে উঠেছে।

এরআগে গত ৮ এপ্রিল জামালপুর-শেরপুর ব্রিজের পাশে একটি দোকান ঘরের টেবিলের নিচে শিশুর কান্না শুনে এক ব্যক্তি তাকে উদ্ধার করে ভর্তি করেন জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে।


জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মিডওয়াফ তানজিনা আফরীন বলেন, ‘একটা বাবুর পরিচযা করার আমরা দায়িত্ব পেয়েছি। এই শিশুটিকে আমরা অন্য বাচ্চাদের চেয়ে বেশি সেবা দিচ্ছি। নিজেদের মতো করে নিজের বাচ্চার মতো করে। বাবা মা নাই, এটা যাতে ফিল করতে না হয় সেভাবেই বাঁচানোর চেষ্টা করছি। আমিসহ এ ওয়ার্ডের সবাই ওর খোঁজ-খবর নিচ্ছে।


আরও পড়ুন: শেরপুরে হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরির অভিযোগ


তিনি আরও জানান, শিশুটিকে খাওয়ানো হচ্ছে ঠিক মতো, মেডিসিনও ঠিকমতো যাচ্ছে। আগের চেয়ে অনেক সুস্থ হয়েছে। তিনি সবার কাছে দোয়া চান যেন নবজাতকটি আরও সুস্থ হয় ভালো থাকে। এ রকম ঘটনা যাতে আর না হয় মা-বাবার কাছে অনুরোধ করেন এ রকম সন্তান যেন জন্ম না দেয়। প্রত্যেকটা বাচ্চার জন্য এটা চরম ক্ষতির। তার ভবিষ্যৎ ও মানসিক সবদিক থেকেও একটা হতাশার মধ্যে থাকবে। আল্লাহ রহমতে ও যদি বাঁচেও তার পরেও ওর মধ্যে আকাঙ্ক্ষা থাকবে ওর আসল বাবা-মা কে সেটা জানার জন্য।


তানজিনা আফরীনের প্রত্যাশা, শিশুটি যেন সুস্থ একজন মানুষের কাছে থাকে। 


আরও পড়ুন: ৫ দিনেও উদ্ধার হয়নি ঢামেক থেকে চুরি হওয়া সেই নবজাতক


জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘নবজাতকটিকে ভর্তির পর থেকেই চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। এখন অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছে। সমাজসেবার সঙ্গে বোর্ড বসিয়ে কোনো পরিবারের কাছে দেয়ার চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে।’

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন