টেকনাফে পাহাড়ে গোলাগুলিতে কিশোরী নিহত

১৩ ঘন্টা আগে
কক্সবাজারের টেকনাফে সাগরপথে মানব পাচারকে কেন্দ্র করে দুই অস্ত্রধারী গ্রুপের গোলাগুলিতে আসা গুলিবিদ্ধ হয়েছে সুমাইয়া আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরী নিহত হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালী পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বাহারছড়া নোয়াখালী পাড়ার ইউপি সদস্য মো. ইলিয়াছ।


নিহত কিশোরী ওই এলাকার মো. ছিদ্দিক আহমেদের মেয়ে।


ইউপি সদস্য মো. ইলিয়াছ বলেন, 'পাহাড়ি এলাকায় মানব পাচারের উদ্দেশ্যে কয়েকজনকে জিম্মি করে রাখে পাচারকারীরা। তাদের খোঁজে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অস্ত্রধারীরা সেখানে হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় আধা ঘণ্টা গোলাগুলি চলে। এতে স্থানীয় এক পরিবারের কিশোরী নিহত হয়। ঘটনার পর পাহাড়সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।'


নিহত কিশোরীর বাবা মো. ছিদ্দিক আহমেদ বলেন, 'হঠাৎ সন্ধ্যায় পাহাড়ের ভেতর থেকে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। কিছুক্ষণ পর আমার মেয়ের বুকে গুলি লাগে। সে সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। দ্রুত হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পাহাড়ে ডাকাত, মাদক ও মানব পাচারকারীরা সক্রিয় রয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যার সঠিক বিচার চাই।'


আরও পড়ুন: টেকনাফ সীমান্তের ওপার থেকে ছোড়া গুলিতে প্রাণ গেল বাংলাদেশি শিশুর


টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, 'বাহারছড়ার নোয়াখালী এলাকায় পাহাড়ে অস্ত্রধারী দুই গ্রুপের গোলাগুলির ঘটনায় একটি বসতবাড়িতে গুলি এসে লাগে। এতে এক কিশোরী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে। জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।'


টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাওশাত আলম কানন বলেন, 'গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক কিশোরীকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। বুকে গুলি লাগায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।'
 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন