বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে টিটনের মরদেহের ময়নাতদন্ত করেন ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসকরা। এরপর দাফনের জন্য নিউমার্কেট থানা পুলিশ তার স্বজনদের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেয়।
মর্গ থেকে মরদেহ বুঝে নেন তার বড় ভাই খন্দকার সাইদ আক্তার রিপন। তাদের বাড়ি যশোরের কোতোয়ালি উপজেলায়। সেখানেই টিটনের মরদেহের দাফন করা হবে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: টিটন হত্যার কারণ জানাল ডিবি
মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোল্যা শাহাদাৎ। প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, তার মাথার ডান পাশে কানের উপরে গুলির ক্ষত চিহ্ন, বাম ব্রুর উপরে একটি, পিঠের বাম পাশের নিচে একটি, ডান পাশের উপরে একটি, বাম হাতের কনুইয়ে একটি ও কনুইয়ের নিচে একটি, বাম বগলের নিচে একটি গুলির ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। পেটের ডান পাশে কোমরের উপরে রক্তাক্ত জখম রয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের পর অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম সময় সংবাদকে জানিয়েছিলেন, ৫২ বছর বয়সী টিটন দুই দশকেরও বেশি সময় কারাগারে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি কারামুক্ত হন। তিনি ঢাকার রায়েরবাজার ও হাজারীবাগ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার একাধিক মামলা রয়েছে।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃত্যু
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে নিউমার্কেট ১ নম্বর গেট ও শহিদ শাহ নেওয়াজ হল সংলগ্ন রাস্তায় মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত টিটনকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে সে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা দুর্বৃত্তদের ধাওয়া করলে তারা আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে টিটনকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয়রা। সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

৬ দিন আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·