সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সজিবুল ইসলাম শুভ। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে ফিলিং স্টেশনটিতে প্রায় ১০ হাজার লিটার ডিজেল, ৪ হাজার লিটারের বেশি অকটেন এবং প্রায় ২ হাজার লিটার পেট্রোল সব মিলিয়ে ১৬ হাজার লিটারের বেশি জ্বালানি তেলের মজুত পাওয়া যায়। বিপুল পরিমাণ এই তেল মজুত থাকা সত্ত্বেও পাম্প কর্তৃপক্ষ বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিল। এছাড়া, পাম্পে অকটেনের ক্যালিব্রেশন চার্ট সংরক্ষিত ছিল না। এসব অপরাধে সংশ্লিষ্ট মালিককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়া পাঁচজনের সবাই গাইবান্ধার, ৩ জন একই পরিবারের
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সজিবুল ইসলাম শুভ জানান, ‘জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে সোমবার জেলার বিভিন্ন স্থানে ফিলিং স্টেশনে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
অভিযান চলাকালে এক সেবাগ্রহীতা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রশাসনের এ ধরনের কার্যক্রমের ফলে বাজারে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরে আসছে। জনমনে স্বস্তি ও নির্ভরতা তৈরি হচ্ছে। আমরা সাধারণ মানুষ এতে উপকৃত হচ্ছি।’
]]>
২ সপ্তাহ আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·