গত কয়েকদিন ধরে উত্তরের হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার কারণে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহন চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। শীত নিবারণের জন্য অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছেন। তবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ, দিনমজুর, শিশু ও বয়স্করা।
জীবিকার তাগিদে ঘর থেকে বের হলেও নিম্ন আয়ের মানুষেরা কাজ পাচ্ছেন না। আবার কাজ পেলেও প্রচণ্ড শীতে দীর্ঘ সময় কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে শীতের কারণে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ ঠান্ডাজনিত রোগ বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে।
প্রতিদিনই টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ঠান্ডাজনিত নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন। রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালের শয্যা সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। অনেক রোগীকে শয্যা না পেয়ে হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে শীতজনিত রোগে এক মাসে ১৮ শিশুর মৃত্যু
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীরা অভিযোগ করে বলেন, নোংরা পরিবেশ আর কনকনে ঠান্ডার মধ্যে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে এসে রোগীর স্বজনরাও নতুন করে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। দ্রুত শয্যা বৃদ্ধি ও বাড়তি চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, রোগীর সংখ্যা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় সীমিত জনবল ও অবকাঠামো দিয়ে সেবা দিতে বেগ পেতে হচ্ছে। শীত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত রোগীর চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

৫ দিন আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·