টাঙ্গাইলে জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত!

২ ঘন্টা আগে
টাঙ্গাইলে ফার্নেস অয়েলের তীব্র সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এক্স ইনডেক্স এনার্জি লিমিটেডের মালিকানাধীন টিপিপিজিএল বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এতে একদিকে লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা বেড়ে গেছে, অন্যদিকে স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পও সংকটে পড়তে পারে।

চলমান ইরান যুদ্ধে বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশেও এই সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ফার্নেস অয়েলের সংকটের কারণে টাঙ্গাইল পল্লী পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডে (টিপিপিজিএল) বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে।

 

প্লান্টের চারটি মেশিনের মধ্যে দুইটি মেশিন সচল রাখা হয়েছে, তা-ও পিক আওয়ার সময়ে। গড়ে প্রতিদিন কোম্পানিটি ৮-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। যেখানে প্লান্টের ঘণ্টায় উৎপাদন সক্ষমতা ২২ মেগাওয়াট, সেখানে এখন উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ৬ থেকে ৭ মেগাওয়াট। ফলে ২২ মেগাওয়াটের বিপরীতে উৎপাদন নেমে এসেছে মাত্র ৬-৭ মেগাওয়াটে।

 

আরও পড়ুন: জ্বালানি সংকট / সিলেটের শাহজালাল সার কারখানায় এক মাসের জন্য উৎপাদন বন্ধ

 

একদিকে তেলের সংকট, অন্যদিকে লোডশেডিং শুরু হয়েছে জেলাজুড়ে। এতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও ব্যবসা-বাণিজ্যও ব্যাহত হচ্ছে। গ্রাহকরা লোডশেডিংয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন।

 

ক্যামেরায় কথা বলতে রাজি না হলেও টিপিপিজিএলের প্লান্ট ম্যানেজার একেএম এনায়েতুল্লাহ জানান, জ্বালানি তেলের সংকটের পাশাপাশি আর্থিক চাপও উৎপাদন কমার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। সময়মতো তেল সরবরাহ না হওয়ায় পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না।

 

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদেকীন বলেন, তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন কমে গেলে সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর প্রভাব পড়ে। শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন খরচও বেড়ে যেতে পারে। ফার্নেস অয়েলের সংকট দ্রুত সমাধান না হলে টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎ সংকট আরও তীব্র হবে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন