গত বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিনব্যাপী আয়োজিত এই কর্মসূচিতে টরন্টোতে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং প্রবাসীরা অংশ নেন।
দিনের শুরুতে ‘বাংলাদেশ হাউস’ প্রাঙ্গণে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন টরন্টোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. শাহ আলম খোকন। এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
সন্ধ্যায় টরন্টোর অ্যাট্রিয়া-১ কনফারেন্স হলে এক বিশেষ সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। কনসাল জেনারেল শাহ আলম খোকন তার বক্তব্যে স্বাধীনতার বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকা এবং গণতন্ত্রের সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন।
কনসাল জেনারেল বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এই অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কনস্যুলেটের ‘কমিউনিটি ফার্স্ট’ স্লোগানের অধীনে কনস্যুলার সেবার আধুনিকীকরণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবস: লাল-সবুজে সাজল ব্রিসবেনের বিখ্যাত সিটি হল
অনুষ্ঠানটি শেষ হয় মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী এবং কেক কাটার মধ্য দিয়ে। আগত অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবারে আপ্যায়ন করা হয়।
আগামী ২ এপ্রিল স্বাধীনতার ৫৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে টরন্টোতে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে কনস্যুলেট জেনারেলের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় আরেকটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
]]>
১৬ ঘন্টা আগে
২







Bengali (BD) ·
English (US) ·