এদিকে ঘটনার পর দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার পর পরই অভিযুক্ত আরমান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
নিহত বেলাল হোসেন মিশোরী রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ও স্থানীয় ব্যবসায়ী ছিলেন। তার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের দিকে পৌর শহরের মেইন রোড এলাকায় রিকশা দাঁড় করানোকে কেন্দ্র করে তর্কের সূত্রপাত হয়। পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহ আলম বায়াতির ছেলে আরমান (৩৫) তার রিকশা রাস্তার পাশে দাঁড় করালে ওই সময় একই এলাকার কবির মোহরী (৫৫) নামের এক বৃদ্ধের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
আরও পড়ুন: খুলনায় যুবদল নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
প্রথমে বিষয়টি তর্ক-বিতর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলেও কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত বেলাল হোসেন মিশোরী দুই পক্ষকে শান্ত করতে এবং বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। এসময় অভিযুক্ত আরমান হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি বেলাল হোসেনের বুকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকেন।
এতে বেলাল হোসেন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং গুরুতর আহত হন। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নিহতের ছোট ভাই হেলাল হোসেন বলেন, আমার ভাই ঝগড়া থামাতে গিয়েছিল। কিন্তু তাকে অকারণে মারধর করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় হামলায় যুবদল কর্মীর আঙুল বিচ্ছিন্ন
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মিয়া বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি এবং তদন্ত শুরু করেছি। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে আটক করার জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
]]>
১ দিন আগে
৩







Bengali (BD) ·
English (US) ·