বিমান খাতের তথ্য অনুযায়ী, আগামী মে মাসে আন্তর্জাতিক টিকিটের জ্বালানি সারচার্জ সর্বোচ্চ ৩৩তম ধাপে পৌঁছাবে। যা ২০১৬ সালে এই পদ্ধতি চালুর পর প্রথম। মাত্র এক মাসে তৃতীয় ধাপ থেকে সরাসরি ৩৩তম ধাপে ওঠা নজিরবিহীন বৃদ্ধি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান বিমান সংস্থাগুলো ভাড়া কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। কোরিয়ান এয়ার মে মাসে একমুখী টিকিটে ৭৫ হাজার উয়ন থেকে সর্বোচ্চ ৫ লাখ ৬৪ হাজার উয়ন পর্যন্ত সারচার্জ আরোপ করবে, যা মার্চ মাসের তুলনায় পাঁচগুণেরও বেশি।
ইনচন-নিউইয়র্ক রুটে রিটার্ন টিকিটের ক্ষেত্রে সারচার্জ ১১ লাখ ২৮ হাজার উয়নে পৌঁছাতে পারে। একইভাবে আসিয়ানা এয়ারলাইনসও সর্বোচ্চ ছয়গুণ পর্যন্ত সারচার্জ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্কিন ইউটিউবারকে ছয় মাসের কারাদণ্ড
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিমান জ্বালানির গড় মূল্য প্রতি গ্যালনে ৫১১ সেন্ট ছাড়িয়ে যাওয়ায় সারচার্জের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটেছে। গ্রীষ্মকালীন ছুটির মৌসুম সামনে রেখে এই পরিস্থিতি ভ্রমণ খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভ্রমণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ইতোমধ্যে অনেক যাত্রী বিদেশ সফর বাতিল করছেন কিংবা দূরবর্তী গন্তব্যের পরিবর্তে স্বল্প দূরত্বের ভ্রমণ বেছে নিচ্ছেন।
এদিকে, ডিউটি-ফ্রি ও পর্যটন খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানি সারচার্জ বৃদ্ধি এবং বিনিময় হার ঊর্ধ্বগতির ফলে টিকিট বাতিলের প্রবণতা বাড়ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠান খরচ কমাতে বিদেশ সফরে সীমাবদ্ধতা আরোপ করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য দীর্ঘস্থায়ী হলে বিমান শিল্পসহ সংশ্লিষ্ট পর্যটন খাতে এর প্রভাব আরও গভীর হতে পারে।
]]>
১৩ ঘন্টা আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·