ইরানে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে গত এক মাসে জ্বালানির দাম অনেকটা বেড়েছে। সরবরাহও ব্যাহত হচ্ছে। এতে জ্বালানি সংকটে বিপাকে পড়েছে বিশ্বের বহু দেশ।
তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে—এমন আশঙ্কায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যে ভোক্তা ও অর্থনীতির ওপর চাপ কমাতে নানা পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। আফ্রিকার অনুন্নত দেশ সেনেগাল মন্ত্রীদের বিদেশ নিষেধাজ্ঞা দিলো।
প্রতিবেদন মতে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী সোনকো নিজেও নাইজার, স্পেন এবং ফ্রান্স সফর স্থগিত করেছেন। তিনি জানান, সরকারি ব্যয় কমাতে খনি মন্ত্রী আগামী সপ্তাহে সরকারের আরও কিছু পদক্ষেপের ঘোষণা দেবেন। সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী সোনকো জানান, তিনি কাউকে চাপে ফেলতে চান না, বরং এই কঠিন বিশ্ব সম্পর্কে একটি ধারণা দিতে চান।
আরও পড়ুন: বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটেও শিক্ষাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে মালয়েশিয়া: আনোয়ার ইব্রাহিম
নিজস্ব তেল ও গ্যাস থাকলেও সেনেগাল মূলত আমদানিকৃত জ্বালানির ওপরই নির্ভরশীল। গত বছর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সেনেগালের অর্থনীতিকে শক্তিশালী হিসেবে বর্ণনা করে।
সে সময় দেশটির প্রবৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ৮ শতাংশ। মুদ্রাস্ফীতিও ছিল নিম্নমুখী। তবে দেশটির ঋণের পরিমাণ মোট অর্থনীতির ১৩০ শতাংশের বেশি। এটি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। দুই বছর আগে ক্ষমতায় আসা সোনকো এই বিশাল ঋণের জন্য আগের সরকারকেই দায়ী করেন।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৫







Bengali (BD) ·
English (US) ·