রয়টার্স ও দ্য ডনের খবরে বলা হয়েছে, দেশটির সব স্কুল আগামী ১৬ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইন ক্লাস চলবে ১৬ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। গত সোমবার (৯ মার্চ) জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এসব ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে সরকার কঠিন সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে সরকারি দফতরগুলোতে দুই মাসের জন্য জ্বালানিভাতা ৫০ শতাংশ কমানো হবে। এছাড়া বাস ও অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া সরকারি যানবাহনের ৬০ শতাংশ সাময়িকভাবে চলাচল বন্ধ রাখা হবে।
প্রয়োজনীয় সেবা ছাড়া সরকারি দফরতরগুলোতে মাত্র ৫০ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিসে কাজ করবেন, বাকিরা ঘরে বসে বা হোম অফিসে কাজ করবেন। একই সঙ্গে সরকারি অফিস সপ্তাহে চার দিন খোলা থাকবে।
আরও পড়ুন: শর্ত সাপেক্ষে ইউরোপকে তেল-গ্যাস সরবরাহে প্রস্তুত রাশিয়া
সরকারি ব্যয় কমাতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দফতরের খরচ ২০ শতাংশ কমানো, নতুন গাড়ি, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ও আসবাব কেনা বন্ধ রাখা এবং মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের অধিকাংশ বিদেশ সফরে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের কারণে জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। ফলে বৈশ্বিক তেলের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।
গত সপ্তাহে পাকিস্তানে পেট্রল ও ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ৫৫ রুপি বাড়ানো হয়েছে, যা দেশটির ইতিহাসে একবারে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম বাড়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
]]>
১ দিন আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·