জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব‍্যবহার ঠেকাতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অভিযান

২ সপ্তাহ আগে
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে লাইটারেজ জাহাজকে ‘ভাসমান গুদাম’ হিসেবে ব্যবহার করে রমজানের পণ্য মজুতের অভিযোগে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

 

বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, আসন্ন রমজান উপলক্ষ্যে আমদানিকৃত নিত্যপণ্য বাজারে সরবরাহ না করে প্রশাসনের নজরদারি এড়াতে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৌশলে নদীপথেই আটকে রাখছেন। মাদার ভেসেল (বড় জাহাজ) থেকে পণ্য খালাসের পর তা লাইটারেজ জাহাজে (ছোট জাহাজ) করে বিভিন্ন নদীবন্দরে পৌঁছে দেয়ার নিয়ম। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে অভিযোগ উঠেছে, আমদানিকারকরা তা না করে কর্ণফুলীসহ বিভিন্ন নদীতে লাইটারেজ জাহাজগুলোকেই পণ্য রাখার ‘ভাসমান গুদাম’ হিসেবে ব্যবহার করছেন।

 

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম বন্দরে গমের চালানকে স্বাগত জানালেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত

 

সংশ্লিষ্টরা জানান, জাহাজ আটকে রাখার ফলে দ্বিমুখী সংকট তৈরি হচ্ছে। প্রথমত, বাজারে খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট দেখা দিচ্ছে। দ্বিতীয়ত, লাইটারেজ জাহাজ আটকে থাকায় মাদার ভেসেল থেকে সময়মতো পণ্য খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। সাধারণত ৭ থেকে ৮ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস হওয়ার কথা থাকলেও, অসাধু চক্রের কারণে এখন তা ১০ থেকে ২০ দিন, এমনকি এক মাস পর্যন্ত জাহাজে ফেলে রাখা হচ্ছে।

 

এই অচলাবস্থা নিরসন এবং রমজানে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতেই ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে কর্ণফুলী নদীতে এই অভিযান শুরু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন