বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে এক ফেসবুক পোস্টে এ দাবি জানান তিনি।
পোস্টে জামায়াতের আমির উল্লেখ করেন, ‘আজ বিকেলে শেরপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপি সমর্থকরা বিলম্বে এসে চেয়ারে বসা নিয়ে বাক বিতণ্ডা এবং হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জামায়াত সমর্থকদের উপর বিএনপি সন্ত্রাসীরা হামলা করে।
এ ঘটনায় ৫০ এর অধিক জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক আহত হন। ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে আজ রাত ৯.২০টায় রেজাউল করিম শাহাদাতবরণ করেন। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে শাহাদাতের মর্যাদা দিয়ে জান্নাতবাসী করুন। আমিন।’
এ ব্যাপারে এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর ভূমিকা জনগণ দেখতে চায়। তারা কেমন নির্বাচন জাতিকে উপহার দেয়।
আরও পড়ুন: ইসলামী আন্দোলনের সমর্থকদের উপর জামায়াত কর্মীদের হামলার অভিযোগ
শাস্তির দাবি জানিয়ে জামায়াত আমির লিখেন, যারা এই খুনের নেশায় মত্ত হয়েছে, এদেরকে পাকড়াও করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া দরকার। আমরা চাই দ্রুত এদেরকে পাকড়াও করা হোক। কোন ধরনের গড়িমসি জাতি বরদাশত করবে না।
যারা গুরতর আহত হয়েছেন তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন ডা. শফিকুর রহমান।
উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে মঞ্চে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে গুরুতর আহত শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম (৪২) মারা গেছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত সোয়া ৯টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে গণসংযোগকালে জামায়াতের নারী নেত্রীকে কুপিয়ে জখম
এর আগে বুধবার বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা মঞ্চে বসেন। কিন্তু স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থক চেয়ারে বসা নিয়ে হট্টগোল শুরু করেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে শতাধিক মানুষ আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
]]>

২ সপ্তাহ আগে
৪







Bengali (BD) ·
English (US) ·