জাতীয় গ্রিডের স্থিতিশীলতা বাড়াতে এফজিএমওর পাশাপাশি এজিসি কন্ট্রোল চালু

২ দিন আগে
জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি আরও স্থিতিশীল রাখতে প্রাইমারি কন্ট্রোল এফজিএমওর পাশাপাশি সেকেন্ডারি কন্ট্রোল অটোমেটিক জেনারেশন কনট্রোল (AGC) চালু করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি।

সংস্থাটির আওতাধীন ন্যাশনাল লোড ডিসপাস সেন্টারের (এনএলডিসি) তত্ত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে (বিউবো) সহায়তায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর অংশগ্রহণে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। এতে জাতীয় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সির স্থিতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে।


এ উদ্যোগের ফলে ভবিষ্যতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিরাপদে জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত ও পরিচালনা করা আরও সহজ হবে।


পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি সূত্রে জানা যায়, গ্রিডের নির্ভরযোগ্যতা ও দক্ষতা বাড়াতে ‘বাংলাদেশ পাওয়ার সিস্টেম রিলায়েবিলিটি অ্যান্ড ইফিসিয়েন্সি ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট’ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় আগে এনএলডিসির ইএমএস সফটওয়্যার আপডেট এবং ৩০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এফজিএমও চালু করা হয়।


বর্তমানে সেকেন্ডারি কন্ট্রোল হিসেবে এজিসির আওতায় ১২টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র যুক্ত হয়েছে। গত ২৮ ও ২৯ এপ্রিল পরিচালিত কার্যক্রমে দেখা গেছে, এফজিএমও ও এজিসি একযোগে চালু থাকলে গ্রিড ফ্রিকোয়েন্সির স্থিতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।


আরও পড়ুন: উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়ল রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি ঠিক রাখতে ‘স্পিনিং রিজার্ভ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রিজার্ভ নিশ্চিত থাকলে এফজিএমও ও এজিসি প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে উৎপাদন বাড়ানো বা কমাতে পারে, যা স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহায়ক।


পাওয়ার গ্রিডের সংশ্লিষ্টরা জানান, ভবিষ্যতে সব বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ধাপে ধাপে এফজিএমও ও এজিসির আওতায় আনা এবং পর্যাপ্ত স্পিনিং রিজার্ভ নিশ্চিত করা গেলে জাতীয় গ্রিড আরও স্থিতিশীল হবে এবং বড় প্রকল্পগুলো পরিচালনার জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে।
 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন